Smartphone

প্রথম তিন মাসেই ঝাঁ চকচকে ৫৬টা স্মার্টফোন, লোভ লাগলেও কিনবেন না ভুলেও! ঠকতে হতে পারে?

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ভারতের বাজারে ৫৬টা নতুন স্মার্টফোন এনেছে মোট ১৬টি সংস্থা। তবে এখনই লোভে পড়ে হাতের মুঠোবন্দি ডিভাইস বদল করার প্রয়োজন নেই, বলছেন টেক বিশ্লেষকেরা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ মে ২০২৬ ১৮:৪২
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

নানা কারণে হু-হু করে বাড়ছে স্মার্টফোনের দাম। ফলে কমছে বিক্রি। এ-হেন পরিস্থিতিতে বাজার কাঁপাতে একের পর এক নতুন ডিভাইস নিয়ে হাজির একাধিক বহুজাতিক প্রযুক্তি সংস্থা। সেই কারণেই কি অবিলম্বে বদলে ফেলা উচিত হাতের স্মার্টফোন? নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও হিসাব? এই প্রতিবেদনে তার হদিস দিল আনন্দবাজার ডট কম

Advertisement

টেক বিশ্লেষকদের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (পড়ুন জানুয়ারি-মার্চ) ভারতের বাজারে আত্মপ্রকাশ করেছে ৫৬টি নতুন স্মার্টফোন। ২০২৫ সালে একই সময়ে এই সংখ্যাটা ছিল ৪৮। গ্যাজেটপ্রেমীদের মন জয় করতে সংশ্লিষ্ট ডিভাইসগুলিকে বাজারে এনেছে ১৬টি সংস্থা। ফলে বিক্রির সূচক অবিলম্বে ঊর্ধ্বমুখী হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, ৫৬টি নতুন স্মার্টফোন বাজারে এলেও নাও বাড়তে পারে মুনাফার অঙ্ক। কারণ, সংশ্লিষ্ট ডিভাইসগুলির গড় দাম ৪০ হাজার টাকা। ‘বাজেট-বান্ধব’ না হওয়ায় ওই স্মার্টফোন নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা কতটা কিনবেন, তা যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে। আর তাই নির্মাণকারী সংস্থাগুলির অন্য অঙ্ক রয়েছে বলে মনে করেন তাঁরা।

Advertisement

বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, নতুন স্মার্টফোন বাজারে এলেই শুরু হয় তার প্রযুক্তি নিয়ে চর্চা। পাশাপাশি, ‘ফ্ল্যাগশিপ’ ডিভাইস নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে তৈরি হয় আলাদা উন্মাদনা। এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে হাতের ‘স্মার্টফোন পুরনো হয়ে গিয়েছে’, এই চিন্তা ক্রেতাদের মন ঢুকিয়ে দিতে সক্ষম হয় নির্মাণকারী সংস্থা। এক কথায় বিক্রি বাড়াতে কৃত্রিম ভাবে মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করে তারা।

ফলে খুব প্রয়োজন না হলে এখনই স্মার্টফোন বদলানোর কথা ভাবতে না বলছেন টেক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। উল্টে গ্রাহকদের কিছুদিন অপেক্ষা করতে বলছেন তাঁরা। সে ক্ষেত্রে সস্তায় দুর্দান্ত ফিচারের মুঠোবন্দি ডিভাইস মিলবে বলে আশ্বাস দিচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement