Viral Video

শাশুড়ির পুণ্য অর্জনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে তাঁকে মাথায় তুললেন বধূ! ভিডিয়ো দেখে প্রশংসায় ভরাল নেটপাড়া

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক তরুণী মাথায় একটি গামলা নিয়ে চলেছেন। গামলায় জিনিসপত্র নেই। রয়েছেন এক বৃদ্ধা। ভিডিয়োটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, সম্পর্কে ওই বৃদ্ধা তরুণীর শাশুড়়ি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬ ০৯:৫৮
Share:

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

প্রায়ই শোনা যায় যে আজকাল আর পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সেই শ্রদ্ধা, সম্মানের অনুভূতি দেখা যায় না। তবে সম্প্রতি এমন একটি ঘটনা সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা এই ধারণাকে ভুল প্রমাণিত করেছে। ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের ব্রজ অঞ্চলের। এক পুত্রবধূ তাঁর বয়স্কা শাশুড়ির দীর্ঘ দিনের ইচ্ছা পূরণ করতে গিয়ে এমন এক কীর্তি স্থাপন করেছেন, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।

Advertisement

এক্স-এর (সাবেক টুইটার) ‘ধর্ম’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, এক তরুণী মাথায় একটি গামলা নিয়ে চলেছেন। গামলায় জিনিসপত্র নেই। রয়েছেন এক বৃদ্ধা। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ভিডিয়োটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, সম্পর্কে ওই বৃদ্ধা তরুণীর শাশুড়ি। বয়স এবং শারীরিক দুর্বলতার কারণে বৃদ্ধা চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়েছেন। কিন্তু অনেক দিন ধরেই ৮৪ কোসি পরিক্রমা করার ইচ্ছা ছিল তাঁর। সেই আকাঙ্ক্ষাকে পূরণ করার দায়িত্ব নেন তাঁর পুত্রবধূ।

ভিডিয়োটিতে আরও দেখা গিয়েছে, বেশ কয়েক জন ব্যক্তি ওই তরুণীর পাশে পাশে চলেছেন। মনে করা হচ্ছে যে তাঁরাও ওই পবিত্র পরিক্রমাতেই যোগ দিয়েছেন। ওই তরুণী এমন ভাবে হেঁটে চলেছেন, যেন তিনি কোনও ক্লান্তিই অনুভব করছেন না। ব্রজ অঞ্চলের এই পরিক্রমার ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। প্রতি বছর বহু ভক্ত এই পরিক্রমায় অংশগ্রহণ করেন। ভগবান কৃষ্ণের সঙ্গে সম্পর্কিত পবিত্র স্থানগুলিও দর্শন করেন।

Advertisement

ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়তেই প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছে নেটপাড়া। প্রায় দেড় হাজার নেটাগরিক এতে ভালবাসার চিহ্ন এঁকে দিয়েছেন। অনেকে শেয়ারও করেছেন। অজস্র মন্তব্যও জমা পড়েছে মন্তব্যবাক্সে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের ইচ্ছা ও অনুভূতিকে সম্মান করা প্রত্যেকের দায়িত্ব। এক সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “ওই পুত্রবধূ প্রমাণ করেছেন যে শ্রদ্ধা ও ভালবাসার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও মজবুত হয়।” ‘রামায়ণ’-এর চরিত্র শ্রবণ কুমার ছিলেন তপস্বী দম্পতি শান্তনু এবং মলয়ার পুত্র। তাঁরা দু’জনেই ছিলেন অন্ধ। মা-বাবার ইচ্ছা পূরণের জন্য শ্রবণ কুমার তাঁদের ভারীতে বসিয়ে তীর্থভ্রমণ করাতে নিয়ে যান বলে কথিত। তাই, তরুণীকে এ যুগের ‘নারী শ্রবণকুমার’ আখ্যাও দিয়েছে নেটপাড়া।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement