Bizarre

ঠিকমতো সেদ্ধ হচ্ছে না, কড়াইসুদ্ধ মাংস নিয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে এলেন প্রৌঢ়! হতবাক পুলিশ, নেওয়া হল ব্যবস্থা

উগাদি উৎসবের সময় খাসির মাথার মাংস কিনেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের তাদিপাত্রীর পুতলুরু রোডের বাসিন্দা সোদালা হাজি । সেই মাংস ২০ বার চেষ্টা করেও ঠিকমতো সেদ্ধ করা যায়নি। উপায় না দেখে হতাশ হয়ে মাংসসমেত থানায় নালিশ ঠুকতে আসেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬ ০৭:৫০
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

মাংস সেদ্ধ হচ্ছে না কেন? কড়াইভর্তি আধসেদ্ধ মাংসসমেত থানায় হাজির হলেন প্রৌঢ়। অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা এক ব্যক্তি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন যে, ২০ বার চেষ্টা করার পরেও খাসির মাংস রান্না করা সম্ভব হয়নি। খাসির মাংস নিয়ে এই অস্বাভাবিক অভিযোগ পেয়ে হতবাক হয়ে যায় তাদিপাত্রী টাউন থানার পুলিশও। অদ্ভুত এই অভিযোগের কথা চাউর হতেই তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে স্থানীয় এলাকায়।

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, উগাদি উৎসবের সময় খাসির মাথার মাংস কিনেছিলেন তাদিপাত্রীর পুতলুরু রোডের বাসিন্দা সোদালা হাজি। মাথার মাংসের ঐতিহ্যবাহী একটি পদ (তালাকুরা) রান্না করার জন্য তিনি মাংস কিনে আনেন। উৎসাহভরে রান্না শুরু করার পর দেখেন কিছুতেই মাংস সম্পূর্ণ রান্না করা যাচ্ছে না। প্রায় ২০ বার চেষ্টা করার পরেও মাংস শক্ত ও আধকাঁচা রয়ে গিয়েছে। হতাশ ও বিভ্রান্ত হয়ে হাজি রান্নার পুরো পাত্রসমেত সোজা থানায় গিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন। মাংসবিক্রেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

টাউন সার্কেল ইনস্পেক্টর আনন্দ রাও বাক্‌রুদ্ধ হয়ে যান যখন দেখেন এক বাসিন্দা কাঁচা মাংসে ভরা একটি পাত্র নিয়ে থানায় চলে এসেছেন। পুলিশের কাছে হাজি দাবি করেন যে বার বার চেষ্টা করা সত্ত্বেও মাংসটি নরম বা ঠিকমতো রান্না হচ্ছিল না। বিষয়টি অদ্ভুত হলেও হাজির অভিযোগে গুরুত্ব দেওয়া হয়। অবশেষে পুলিশের হস্তক্ষেপে এর সমাধান করা হয়। মাংসবিক্রেতার সঙ্গে কথা বলার পর পুলিশ ঘটনাস্থলেই সমস্যাটির সমাধান করে দেয়। বিক্রেতা ত্রুটিপূর্ণ মাংসটির পরিবর্তে সমপরিমাণ তাজা খাসির মাংস দিতে রাজি হন । স্থানীয় এলাকার মানুষের বিশ্বাস, ভেড়া বা ছাগল খুব বেশি বয়স্ক হলে মাংস সহজে, ঠিকমতো রান্না হয় না।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement