Bizarre

বৃদ্ধা মায়ের জন্য বার্থ বদলের অনুরোধ, বিনিময়ে সহযাত্রীর অদ্ভুত প্রস্তাবে খেপে গেলেন তরুণ, পোস্ট ভাইরাল

রেডিট পোস্টে যাত্রী লিখেছেন, এসি কামরায় ভ্রমণকালে এক যাত্রী এসে তাঁকে নীচের বার্থটি ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেন। তাঁর বৃদ্ধা মায়ের জন্য। তিনি স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেন একটি শর্তে তিনি বার্থটি ছেড়ে দিতে পারেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৩৭
Share:

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

ট্রেনের সংরক্ষিত কামরায় চড়লে প্রায় সকলেই নীচের বার্থটিকে পছন্দ করেন। একটি সংরক্ষিত স্লিপার কোচের কেবিনে সর্বোচ্চ তিনটি নীচের বার্থ থাকে। আর এই বার্থের দখল নিয়ে প্রায়শই গোলমাল শুরু হয়ে যায়। তেমনই একটি ঘটনার কথা রেডিটে প্রকাশ করেছেন এক নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী। তিনি জানান তাঁকে নীচের বার্থটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান এক সহযাত্রী। সেই প্রস্তাবের উত্তর শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন অন্য যাত্রী। সমাজমাধ্যমে পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটাগরিকেরা। ভাইরাল এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

রেডিট পোস্টে যাত্রী লিখেছেন, এসি কামরায় ভ্রমণকালে তাঁকে এক যাত্রী এসে নীচের বার্থটি ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেন। তাঁর বৃদ্ধা মায়ের জন্য। তিনি স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেন ৫০০ টাকার বিনিময়ে তিনি বার্থটি ছেড়ে দিতে পারেন। এই কথা শুনে খেপে যান তরুণ। সেখান থেকে দ্রুত সরে যান। রেডিট ব্যবহারকারী জানান যে, ৩এসি-তে একটি নীচের বার্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল। এক ব্যক্তি তাঁর বয়স্ক মায়ের সঙ্গে উপরের বার্থটি অদলবদল করতে বলেন। রেডিটের পোস্টদাতা জানিয়েছেন যে তিনি এই প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন এবং ৫০০ টাকা দাবি করেন। কারণ তিনিও শেষ মুহূর্তে এজেন্টকে ৫০০ টাকা অতিরিক্ত দিয়ে আসনটি বুক করেছিলেন। এ কথা যাত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে সেখান থেকে চলে যান।

রেডিট ব্যবহারকারী আরও লিখেছেন, “আমাকে বিচার করার আগে, আমি আপনাদের বলে রাখি যে বৃদ্ধা মহিলা ২৪ থেকে ২৫ জনের একটি বড় দলের সঙ্গে ভ্রমণ করছিলেন, যাদের মধ্যে অনেকেই আগে থেকে নীচের বার্থ বুক করেছিলেন। তিনি নিজেদের মধ্যে জায়গা বদল না করে, আমার মতো একজন অপরিচিতকে জায়গা বদল করতে বলছিলেন।’’ এটি এখন পর্যন্ত ৫৫০টিরও বেশি আপভোট এবং অসংখ্য মন্তব্য পেয়েছে। নেটাগরিকদের অধিকাংশ জানিয়েছেন, নীচের বার্থের দখল রাখার জন্য লড়াই করেই ভ্রমণ করতে হয়। এই ধরনের ঘটনা এটাই প্রথম নয়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement