Bizarre

বহুতলের দেওয়াল বেয়ে ‘টিকটিকি’র মতো ২৬তলা থেকে ২১তলায় নামলেন ৮৯ বছরের বৃদ্ধা! শিউরে ওঠা ভিডিয়ো প্রকাশ্যে

শোয়ার ঘরে আটকা পড়ে ঘাবড়ে গিয়েছিলেন ৮৯ বছরের বৃদ্ধা। বাইরে বেরোনোর জন্য ভবনের বাইরের দেওয়াল বেয়ে ২৭তলা থেকে ২১তলায় নামেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৩৪
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

দুর্ঘটনাবশত বহুতলের নিজের অ্যাপার্টমেন্টে আটকে পড়েছিলেন ৮৯ বছর বয়সি বৃদ্ধা। বাইরে বেরোনোর জন্য ভবনের বাইরের দেওয়াল বেয়ে ২৭তলা থেকে ২১তলায় উঠে এসে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন অশীতিপর। ঘটনাটি ১ এপ্রিলের। ওই দিন বিকেলে বেজিঙের একটি আবাসিক ভবনের ২৬তলার বাইরে বৃদ্ধাকে ঝুলে থাকতে দেখা যায়। তাঁকে থামতে বলা হলেও তিনি ওই অবস্থাতেই ঝুলে ঝুলে নামতে থাকেন। ঘটনাটির একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে , একটি বহুতল ভবনের নীচের তলা থেকে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও এক নিরাপত্তাকর্মী ক্ষীণ আওয়াজ শুনে উপরে তাকান। তাতেই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় তাঁদের। বাইরের দেওয়ালে এয়ার কন্ডিশনার সুরক্ষিত রাখার রেলিং শক্ত করে আঁকড়ে ধরে আছেন ওই বৃদ্ধা। নিরাপত্তারক্ষী অবিলম্বে পুলিশকে খবর দেন এবং বৃদ্ধা মহিলাকে সেখানেই অপেক্ষা করতে বলা হয়। সেই অনুরোধ কান অবধি পৌঁছোয়নি বৃদ্ধার। তিনি ধীরে ধীরে রেলিং বেয়ে আরও নীচের দিকে নামতে থাকেন। দমকলকর্মীরা এসে পৌঁছোনোর মধ্যেই তিনি নীচে নামতে থাকলেন। ক্লান্ত হয়ে অবশেষে ২১তলায় থামেন বৃদ্ধা।

দমকলকর্মীরা তাঁকে ভবনের ভেতর থেকে উদ্ধার করার সিদ্ধান্ত নেন। কারণ সরু রেলিং বেয়ে ওঠা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তাঁরা একটি নিরাপত্তা দড়ি দিয়ে বৃদ্ধাকে বেঁধে ফেলেন। রেলিংয়ের একটি অংশ কেটে দেওয়া হয়, যাতে তিনি এয়ার কন্ডিশনারের প্ল্যাটফর্মের উপর বসে বিশ্রাম নিতে পারেন। প্রায় ২০ মিনিট বিশ্রাম নেওয়ার পর, দমকলকর্মীরা একটি স্ট্রেচার ব্যবহার করে ২১তলার একটি ফ্ল্যাটের জানালার মধ্যে একটি অস্থায়ী সেতু তৈরি করেন। পরে সাবধানে মহিলাকে ভেতরে নিয়ে যান দমকলকর্মীরা।

Advertisement

ভিডিয়োটি ‘এসিডিনিউজ়’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করা হয়েছে। বহু মানুষ ভিডিয়োটি দেখে বৃদ্ধাকে ‘সুপারউওম্যান’ তকমা দিয়েছেন। তদন্তে উঠে এসেছে, ওই বৃদ্ধা ২৭তলায় একা থাকতেন। তিনি ভুলবশত নিজের শোয়ার ঘরে আটকা পড়ে যান। মোবাইল ফোনটি বাইরে বসার ঘরে রেখে এসেছিলেন। ঘাবড়ে গিয়ে তিনি এয়ার কন্ডিশনারের রেলিং বেয়ে নীচে নামার ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন। বৃদ্ধার শরীরে কোনও আঘাত লাগেনি। তবে তিনি অত্যন্ত ক্লান্ত ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement