ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।
বর্তমান পৃথিবীতে বেকারত্ব একটি গভীর সমস্যা। ভাল রোজগার করে সচ্ছল ভাবে জীবন কাটানোর স্বপ্ন দেখেন সকলেই। সেই আশাতেই নানা জায়গায় চাকরির আবেদন করতে থাকেন। সব সময় যে ইতিবাচক উত্তর আসে তা নয়। কখনও-সখনও সংস্থাগুলি আবেদনের উত্তর দিতে বেশ দেরিও করে। তবে, সম্প্রতি এমনই একটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে যা দেখে হতবাক হয়ে গেছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা।
এক সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা চলতি বছরের ১৭ জুন একটি পোস্টের মাধ্যমে লিখেছেন। তিনি লেখেন, একটি সংস্থায় ২০২০ সালে চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। অনলাইন মারফত আবেদনটি করা হয়। পোস্টটির সঙ্গে একটি স্ক্রিনশটও জুড়ে দিয়েছেন ওই ব্যবহারকারী। সেখানে দেখা গিয়েছে, মাত্র ১৪ মিনিট আগে সেই আবেদনটি দেখা হয়েছে। অর্থাৎ, ৬ বছর বাদে। সেই সঙ্গে উপরে আরও একটি লেখা দেখা গিয়েছে যে ওই সংস্থা আর কোনও আবেদন গ্রহণ করছে না।
এক্সের (সাবেক টুইটার) ‘দহি_কচৌরি’ নামে অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্টটি শেয়ার করা হয়েছে। ঘটনাটি কোথাকার তা লেখেননি ওই ব্যবহারকারী। তিনি কোন সংস্থায় চাকরির আবেদন করেছিলেন বা কী ধরনের কাজ খুঁজছেন, সে সব কিছুই ওই পোস্ট থেকে জানা যায়নি। পোস্টটির সত্যতাও যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
পোস্টটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর হইচই পড়ে গিয়েছে নেটপাড়ায়। প্রায় ১৭ লক্ষ বার পোস্টটি দেখা হয়েছে। ওই সংস্থার নাম না জানলেও, তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্যবহারকারীরা। পাশাপাশি, বিভিন্ন সংস্থার নানা খামখেয়ালিপনার বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিয়েছেন অনেকেই। এক নেটাগরিক প্রায় একই ধরনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে লিখেছেন, “৮ বছর আগে, স্নাতক হওয়ার পর যে চাকরিগুলিতে আবেদন করেছিলাম, সেগুলো থেকে এখনও প্রত্যাখ্যানের ইমেল পাই আমি।” এক জন মজার ছলে ওই ব্যবহারকারীর উদ্দেশে লিখেছেন, “অভিনন্দন, আপনি একটি নতুন মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেছেন!” কেউ কেউ আবার মশকরা করে জানতে চেয়েছেন যে আর কত বছর পরে ওই সংস্থা উত্তর জানাবে? সংস্থাকে ‘কুম্ভকর্ণ’ আখ্যাও দিয়েছেন অনেকেই।