তরুণকে হত্যা করে সবুজ ড্রামে ভরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে ধৃত।
নীলের বদলে সবুজ। উত্তরপ্রদেশের মেরঠের কুখ্যাত ‘নীল ড্রাম’ হত্যাকাণ্ডের বিভীষিকা এখন মুছে যায়নি মানুষের মন থেকে। সেই একই ধরনের অপরাধের ছায়া এ বার মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ের অদূরে। সবুজ রঙের ড্রামের মধ্যে প্রেমিককে মেরে নর্দমায় ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণী, তাঁর স্বামী ও তরুণীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই সবুজ ড্রাম নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে সমাজমাধ্যমে। সবুজ ড্রামের মধ্যে মৃতদেহ উদ্ধারের একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তরুণীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, স্বামী ও ভাইয়ের সঙ্গে মিলে প্রেমিককে হত্যা করেন তিনি। লাশ গুম করার জন্য একটি সবুজ প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে এক নির্জন নর্দমায় ফেলে দেন। মুমব্রা এলাকার এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তরুণী। মৃত তরুণ পেশায় ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরকীয়া সম্পর্কটির পরিণতি শেষমেশ বিপজ্জনক দিকেই মোড় নেয়। অভিযোগ উঠেছে যে, স্বামী ও ভাইয়ের সঙ্গে মিলে প্রেমিককে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেন তরুণী। এর পর ওই যুবককে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়। হত্যার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা করেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই তরুণের মৃতদেহ একটি বড় সবুজ প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে মুমব্রার একটি নির্জন নর্দমায় ফেলে দেওয়া হয়। নর্দমার কাছে সন্দেহজনক ড্রামটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়েরা পুলিশকে খবর দেয়। তদন্ত চলাকালীন ড্রামটি খোলার পর ভিতরের দৃশ্য দেখে পুলিশ ও উপস্থিত লোকজন আঁতকে ওঠেন। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে অনেকেই ‘সবুজ ড্রাম হত্যাকাণ্ড’ নাম দিয়ে আলোচনা করছে। এই ঘটনাটি সমাজমাধ্যমে ক্ষোভ ও আতঙ্ক উভয়ই সৃষ্টি করেছে। এক নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘এখনকার প্রেম বা বিয়ের সম্পর্কগুলো এখন ভৌতিক সিনেমার মতো মনে হতে শুরু করেছে।’’