ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করে ৫০ ঘণ্টা পরে বাড়ি ফিরলেন তরুণী। শল্যচিকিৎসক পুত্রবধূকে দীর্ঘ সময় পর বাড়িতে আসতে দেখে থালা সাজিয়ে প্রদীপ জ্বালিয়ে বরণ করলেন বৃদ্ধা শাশুড়ি। সঙ্গে কিছু বাক্যবাণ শোনাতেও কসুর করলেন না তিনি। আপাতদৃষ্টিতে মজার সেই ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করে সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে নেটমাধ্যমে। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বৃদ্ধা ঐতিহ্যবাহী রীতিতে আরতি করে তাঁর পুত্রবধূকে ঘরে স্বাগত জানাচ্ছেন। তরুণী পেশায় প্লাস্টিক সার্জন। প্রদীপ জ্বেলে আরতি করে কপালে টিপ পরিয়ে দেন বৃদ্ধা। শাশুড়ির আশীর্বাদ নিতে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন পুত্রবধূ। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে তরুণীর নাম সৌম্য গুপ্ত। তাঁর উদ্দেশে খানিকটা মজার ছলেই শাশুড়ি বলেন, ‘‘আমার সৌভাগ্য যে এত দিন পর পায়ের ধুলো পড়ল বাড়িতে।’’ শাশুড়ির কথাকে হালকা করতে সৌম্য তাঁকে প্রণাম করতে করতে বলেন, ‘‘ধন্যবাদ, মা। ভগবান আমাকে সৎবুদ্ধি দিন। বাড়িতে আরও বেশি বেশি সময় কাটানোর সুযোগ করে দিন।’’
ভিডিয়োটি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত হওয়ার পর প্রচুর মানুষ সেটি দেখেছেন। ৪৫ লক্ষেরও বেশি বার দেখা হয়েছে এটি। ১ লক্ষ ৫ হাজার লাইক পেয়েছে। প্রচুর প্রতিক্রিয়াও জমা পড়েছে মন্তব্যবিভাগে। নেটাগরিকদের অনেকেই শাশুড়ির প্রতিক্রিয়া পছন্দ করেননি। এক নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, “ভাবুন তো, আধুনিক যুগে এ সব শুনতে কেমন লাগে… এই কারণেই আমি এই বয়সে বিয়ে করি না। এমনকি একজন চিকিৎসককে এই বাজে কথা শুনতে হয়। একাই সুখে থাকুন।” অন্য এক জন লিখেছেন, “চিকিৎসক হয়েও লাভ নেই, তাঁকেও শাশুড়ির নিন্দে সহ্য করতে হচ্ছে।’’ নেতিবাচক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সৌম্যর স্বামী শগুন আগরওয়াল লিখেছেন, “যাঁরা আমার মায়ের সমালোচনা করছেন, আমি বুঝতে পারছি যে পরিবারে হয়তো আপনাদের এমন ইতিবাচকতার অভিজ্ঞতা নেই। তাই আপনারা এখানে তা দেখতে পাচ্ছেন না!”