Viral Video

জঙ্গলে পর্যটকদের সামনেই মহিষশাবকের গলা কামড়ে ধরল সিংহী, উদ্ধারে দুই বন্ধু-সহ তেড়ে এল মা! তার পর...

খাদক যে সর্বদা খাদ্যকে বশে আনতে পারে তেমনটা কিন্তু নয়। অনেক সময় খাদ্যের পাল্টা চালে পিছু হাটতে বাধ্য হয় খাদক। জঙ্গলে সাফারি করতে গিয়ে তেমনই এক দৃশ্যের সাক্ষী হলেন পর্যটকেরা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬ ১৯:২৩
Share:

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

বন্যজীবনে নানা অবাক করা ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। আমরা যা ভাবি, সর্বদা তা সত্যি হয় না। খাদক যে সর্বদা খাদ্যকে বশে আনতে পারে তেমনটা কিন্তু নয়। অনেক সময় খাদ্যের পাল্টা চালে পিছু হাটতে বাধ্য হয় খাদক। জঙ্গলে সাফারি করতে গিয়ে তেমনই এক দৃশ্যের সাক্ষী হলেন পর্যটকেরা। কিন্তু ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে তা সঠিক ভাবে জানতে পারা যায়নি। তবে সেই ঘটনার ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, জঙ্গলের মাঝে ঘুরে বেড়াচ্ছে একদল মহিষ। সঙ্গে একটি মহিষশাবকও রয়েছে। হঠাৎই সেখানে এসে উপস্থিত হল একজোড়া সিংহী। মহিষের শাবকটির উপর আছড়ে পড়ল তারা। বাকি মহিষগুলি সেখান থেকে পালিয়ে গেল। কিন্তু মা-তো মা-ই হয়। সে এগিয়ে গিয়ে শাবককে না দেখতে পেয়ে আবার পিছনে ছুটে এল। এসে দেখল সন্তান হিংস্র প্রাণীর শিকারে পরিণত হতে চলেছে। মহিষের আগমনে একটি সিংহী লেজ গুটিয়ে পালাল। কিন্তু তার সঙ্গী শাবকটিকে ছাড়ল না। তার গলার কাছের জায়গাটা কামড়ে ধরে রাখল। মা মহিষটি এ বার সিংহীর দিকে তেড়ে এল। কিন্তু লাভের লাভ হল না। সে বুঝল হিংস্র চারপেয়েকে তাড়ানো তার একার সাধ্য নয়। তাই সে দৌড়ে গিয়ে সঙ্গীদের ডেকে আনল। বন্ধুর কথা শুনে তারা চলেও এল। তিন মহিষ মিলে তেড়ে গেল সিংহীর দিকে। শিকার ছেড়ে লেজ গুটিয়ে পালাল হিংস্র চতুষ্পদ। মা মহিষ সন্তানকে নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে সেখান থেকে চলে গেল। আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাফারি গাড়িতে বসে পর্যটকেরা সেই দৃশ্য চাক্ষুষ করলেন। সেই ঘটনার ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।

‘মুরারিরাজ২০’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে ৫৫ হাজারেরও বেশি বার ভিডিয়োটি দেখে ফেলা হয়েছে। বহু নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। নানা রকম মন্তব্যে ভরে গিয়েছে ভিডিয়োটির মন্তব্যবাক্স। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘বন্যজীবন বড়ই অদ্ভুত।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement