ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
নিজের কাজ ছেড়ে বিমানবন্দরে তরুণীর সঙ্গে গল্পে মশগুল হয়ে পড়েছেন অভিবাসন অফিসার। তরুণীর রূপে মুগ্ধ হয়ে সময় কাটানোর জন্য ক্রমাগত অবান্তর প্রশ্ন করে চলেছিলেন তিনি। কোনও রকমে অভিবাসন অফিসারের দুষ্টুমির হাত থেকে মুক্তি পান তরুণী। ভিডিয়ো করে পুরো ঘটনাটি উল্লেখ করেন তিনি। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘নাজ়িয়া সনম’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। বিমানে ওঠার আগে এক ভারতীয় অভিবাসন অফিসারের পাল্লায় পড়েন তরুণী যাত্রী। পাকিস্তানের করাচির বাসিন্দা তিনি। পাকিস্তানি তরুণীর দাবি, তাঁর রূপে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন সেই অফিসার। তরুণীর সঙ্গে হালকা মেজাজে কথা বলতে শুরু করেন তিনি। কিন্তু কোনও কথাই কাজ সম্পর্কিত নয় বলে জানান তরুণী। তরুণীকে বেশ কিছু ক্ষণ দেখে তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, সেই তরুণী কোনও বিমান সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কি না।
তরুণী ‘না’ বলায় সেই অফিসার বলেন, ‘‘আপনার বেশভূষা থেকে শুরু করে দাঁড়ানোর ধরন একেবারেই আলাদা। নজর কাড়ার মতো। আপনি তো নিশ্চয়ই কিছু করেন।’’ নানা রকম ছলচাতুরি করে তরুণী কোন পেশায় রয়েছেন, তা জেনে ফেলেন অভিবাসন অফিসার। তরুণী জানান যে, তিনি অভিনেত্রী। মিষ্টি সুরে অফিসার জানান যে, তরুণীকে তিনি এক ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে রাখবেন। তরুণীও হালকা চালে অফিসারের সঙ্গে কথোপকথন চালিয়ে যান।
পাকিস্তানি তরুণীর দাবি, অকারণে তাঁর পাসপোর্ট দেখার নাম করে সময় কাটাচ্ছিলেন অভিবাসন অফিসার। এমনকি, তাঁর সঙ্গে উর্দু ভাষায় কথা বলারও নাকি প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ভারতীয় তরুণেরা যে পাকিস্তানি তরুণীদের সঙ্গে ‘ফ্লার্ট’ করতে পারেন, তা নিয়েই ভিডিয়োয় হাসাহাসি করছিলেন তরুণী। ভিডিয়োটি দেখে এক জন মজা করে লিখেছেন, ‘‘আসলে ভারতীয়েরা সৌন্দর্যের কদর করতে জানেন। সেখানে শত্রুপক্ষ-মিত্রপক্ষের হিসেবনিকেশ করেন না।’’ আবার এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘আপনি বিরক্ত বোধ করলে গম্ভীর ভাবে উত্তর দিতে পারতেন। আপনি নিজেও তো মিষ্টি সুরেই উত্তর দিয়েছেন। তা হলে হঠাৎ এক পক্ষের দিকে আঙুল তুলছেন কেন?’’