Viral Video

৩৫ বছর পেরিয়ে নতুন ‘ইনিংস’ শুরুর বাসনা, ইচ্ছাপূরণে ৫০-এর প্রৌঢ়ার সঙ্গী হলেন সন্তানই! ভাইরাল ভিডিয়ো

কিছু মানুষ এমনও রয়েছেন যাঁরা ইচ্ছার জোরে বেশি বয়সে আবারও শিক্ষার্থীজীবনে ফিরে এসেছেন। কাছের মানুষেরাও তাঁদের পূর্ণ সমর্থণ করেছেন। তেমনই এক প্রৌঢ়ার ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ জুন ২০২৬ ০৭:৪১
Share:

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

পড়াশোনার কোনও বয়স হয় না। মুখে এ কথা অনেকেই বলেন, কিন্তু মানেন হাতেগোনা কিছু মানুষই। অনেকেই আছেন যাঁরা কম বয়সে পরিস্থিতির চাপে পড়ে মাঝপথে পড়াশোনার পাট চুকিয়ে কাজে লেগে পড়েছেন। পরবর্তী কালে বহু ভেবেও আবার নতুন করে কিছুই শুরু করা হয়নি। হয়তো আশপাশের মানুষদেরও তেমন ভাবে সমর্থন পাননি। কিন্তু কিছু মানুষ এমনও রয়েছেন যাঁরা ইচ্ছার জোরে বেশি বয়সে আবারও শিক্ষার্থীজীবনে ফিরে এসেছেন। কাছের মানুষেরাও তাঁদের পূর্ণ সমর্থন করেছেন। তেমনই এক প্রৌঢ়ার ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোথায় বা কোন কলেজে ঘটেছে তা-ও সেই ভিডিয়ো থেকে জানতে পারা যায়নি।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, কলেজের বাইরে ছাত্রীদের লম্বা লাইন। পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক প্রৌঢ়া। প্রথমে দেখে তাঁকে কোনও ছাত্রীর মা মনে হলেও, পরে জানা গেল যে তিনিও একজন ছাত্রী। ভিডিয়ো অনুসারে প্রৌঢ়ার বয়স বর্তমানে ৫০ বছর। ৩৫ বছর আগে তিনি পড়াশোনার পাট চুকিয়েছিলেন। হয়তো পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি বলে আর পড়তে পারেননি। ভিডিয়োর ক্যাপশন সেই নির্দেশই দিচ্ছে। যদিও ভিডিয়ো থেকে তা স্পষ্ট ভাবে জানতে পারা যায়নি। কিন্তু এখন এসে প্রৌঢ়া আবার মনে হয়েছে সব কিছু পুনরায় শুরু করার কথা। তাই তিনি কলেজে পরীক্ষা দিতে এসেছেন। সঙ্গ দিয়েছে সন্তানেরা। ভিডিয়োয় প্রৌঢ়া জানালেন যে আজ তাঁর পরীক্ষা তাই তিনি কলেজে এসেছেন। কলেজে ঢোকার আগে প্রৌঢ়াকে তাঁর ছেলে-মেয়ে ‘অল দ্য বেস্ট’ বলে শুভেচ্ছাও জানাল। মন ভাল করা সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।

‘স্টুডেন্ট_অ্যাট_৫০’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে বহু বার ভিডিয়োটি দেখে ফেলা হয়েছে। প্রচুর নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘কাকিমা আমাদের প্রেরণা জোগাচ্ছেন।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement