আখরোট ভাঙছেন যুবক। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম নথিভুক্ত করতে মানুষ কত কিছুই না করেন। সে কথা আরও এক বার প্রমাণ করলেন ধর্মেন্দ্র রাজভর নামের এক যুবক। নিতম্ব দিয়ে চেপে ১১০টি আখরোট ভেঙে নজির গড়েছেন তিনি। সেই ঘটনার ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। হাসির রোল উঠেছে সমাজমাধ্যমে। অনেকে আবার সাধুবাদও জানিয়েছেন রাজভরকে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচের বাসিন্দা রাজভর অভিনব কৌশলে আখরোট ভাঙার জন্য পরিচিত। হাতের পরিবর্তে নিতম্ব দিয়ে চেপে শক্ত আখরোট ভাঙেন তিনি। সারিতে রাখা আখরোটগুলির উপর উবু হয়ে বসে অনায়াসে সেগুলি ভেঙে ফেলেন নিতম্বের চাপে। সম্প্রতি ভারতীয় রিয়্যালিটি শো ‘ইন্ডিয়াজ় গট ট্যালেন্ট’-এ অংশগ্রহণ করেছিলেন রাজভর। সেই মঞ্চে ৩০ সেকেন্ডে নিতম্ব দিয়ে চেপে ১১০টি আখরোট ভাঙেন তিনি। গড়েন বিশ্বরেকর্ড। তাঁর সেই কৃতিত্বকে মর্যাদা দিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বুধবার এই খবরটি নিশ্চিত করে জানায়, রাজভর ‘ইন্ডিয়াজ় গট ট্যালেন্ট’-এর সেটে আখরোট ভাঙার এই নজির গড়েছেন। ভেঙে দিয়েছেন জাপানের চেরি ইয়োশিতার ওরফে মিস্টার চেরির রেকর্ড।
ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে সারি সারি আখরোট রাখা রয়েছে। এর পর সেই আখরোটগুলির উপর বসে পড়েন বিশালদেহি রাজভর। একের পর এক আখরোট নিতম্বের চাপে ভাঙতে থাকেন। ৩০ সেকেন্ডে ১১০টি আখরোট ভাঙেন। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের ঝড় বয়ে গিয়েছে। হাসির রোল উঠেছে সমাজমাধ্যমে। বয়ে গিয়েছে মিমের বন্যা। তবে ভিডিয়ো দেখে রাজভরের প্রশংসাও করেছেন অনেকে। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘ভিডিয়ো দেখার পর থেকে হাসছি। এমন কৃতিত্বের কথা আগে কখনও দেখিওনি, শুনিওনি।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘আমি মুখ দিয়ে ভাঙতে পারি না, আর এই যুবক নিতম্বের চাপে ভেঙে দিচ্ছেন!’’
উত্তরপ্রদেশে রাজভরের বিপুল জনপ্রিয়তা। অসীম শারীরিক শক্তির জন্য পরিচিত তিনি। গত বছর চার মিনিটে ৪০১টি নারকেল ভেঙেছিলেন তিনি। চোখে কাপড় বেঁধে একাধিক বার তালুতে চেপে নারকেল ভাঙতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। ইনস্টাগ্রামে রাজভরের ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ।