Viral Video

‘ছোট্ট ঘরে বড্ড গরম’! প্রবল দাবদাহে খোলা মাঠে বিছানা পেতেছেন মুম্বইয়ের পরিযায়ীরা, ভিডিয়ো দেখে চোখে জল নেটপাড়ার

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি খোলা মাঠে বেশ কয়েক জন পুরুষ প্লাস্টিকের বস্তাকে বিছানা হিসাবে ব্যবহার করে ঘুমিয়ে আছেন। জানা গিয়েছে, প্রবল গরমের কারণেই এই পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬ ০৯:৩৩
Share:

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

ভারতের বেশির ভাগ অঞ্চলই গ্রীষ্মপ্রধান। তীব্র দাবদাহে হাঁসফাঁস অবস্থা হয় সাধারণ মানুষের। এ দেশের বহু মানুষ আর্থিক দিক থেকে এতটাই পিছিয়ে রয়েছেন যে, এসি বা কুলার তো দূর অস্ত, খোলামেলা ঘরটুকু অবধি নেই তাঁদের। সম্প্রতি মানুষের অসহায় অবস্থার এমন একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে, যা দেখে চোখ ভিজে উঠেছে নেটাগরিকদের।

Advertisement

ইনস্টাগ্রামের ‘ডিকে_ভাই_গুপ্ত_মুম্বই’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, একটি খোলা মাঠে বেশ কয়েক জন পুরুষ প্লাস্টিকের বস্তাকে বিছানা হিসাবে ব্যবহার করে ঘুমিয়ে আছেন। কেউ কেউ মাদুরে শুয়েছেন। তোশক বা বালিশ নেই তাঁদের সঙ্গে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

ভিডিয়োটিতে এক পুরুষকণ্ঠকে বলতে শোনা গিয়েছে স্থানটি মুম্বইয়ের পূর্ব ভায়ন্দরের একটি বাগান। ওই ব্যক্তি ঘুমিয়ে থাকা এক জনকে জাগিয়ে তোলেন এবং জিজ্ঞাসা করেন যে তাঁরা বাড়িতে না থেকে খোলা আকাশের নীচে কেন ঘুমোচ্ছেন? প্রশ্নের জবাবে ওই তরুণ বলেন যে, তাঁর ছোট্ট বাড়িতে গরম অসহনীয়। তাই বাধ্য হয়েই তাঁর মতো অনেকেই এই উপায় বেছে নিয়েছেন। তিনি জানান, তাঁরা প্রায় মাস দেড়েক ওই ভাবেই ঘুমোচ্ছেন।

Advertisement

ওই যুবক আরও জানান, তাঁরা নির্মাণকাজের শ্রমিক। মাস গেলে ১৮,০০০ টাকা আয় হয়। রাতে এখানে ঘুমিয়ে ভোর ৪টের দিকে ঘুম থেকে উঠে, বাড়ি ফিরে স্নান ও খাওয়াদাওয়া সেরে কাজের জন্য বেরিয়ে পড়েন সকলে, এমনটাই জানা গেছে ওই ভিডিয়ো থেকে। জানা গিয়েছে, ওই যুবক উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদের বাসিন্দা।

ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বেদনায় ভরে উঠেছে বহু নেটাগরিকের মন। অনেকে ভিডিয়োটি শেয়ার করেছেন। অজস্র মন্তব্যও জমা পড়েছে মন্তব্যবাক্সে। এই মানুষদের জন্য সরকার কেন কোনও ব্যবস্থা নেয় না, এ প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশায় সহানুভূতি জানিয়েছেন প্রায় সকলেই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement