Viral Video

যুদ্ধাস্ত্রে সজ্জিত সামরিক গাড়িতে সওয়ার বর-কনে! বিধ্বস্ত শিয়া মুলুকের গণবিবাহ অনুষ্ঠান দেখে চোখে জল নেটপাড়ার

ইসলামীয় ক্যালেন্ডারের শেষ মাস ধুল-হিজ্জাহের প্রথম দিন ইরানে গণবিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। চলতি বছরের এই অনুষ্ঠানের কিছু ভিডিয়ো সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়েছে নেটপাড়ায়। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এর প্রধান উদ্দেশ্য হল নবদম্পতিদের আর্থিক বোঝা লাঘব করা এবং তাঁদের নতুন জীবন গড়তে উৎসাহ দেওয়া।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ মে ২০২৬ ১১:০৩
Share:

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

ইসলামীয় ক্যালেন্ডারের শেষ মাস ধুল-হিজ্জাহ। সেই মাসের ১ তারিখে ইরানে গণবিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনে ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হজ়রত মহম্মদের কন্যা ফতিমা এবং ইমাম আলির বিয়ে হয়। তাই ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষের কাছে এই দিনটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বেশ কয়েকটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে শিয়া মুলুকের সেই গণবিবাহ অনুষ্ঠান। যদিও ভিডিয়োগুলির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূল অনুষ্ঠানটি ইমাম হোসেন চত্বরে শুরু হয়েছিল, যেখানে বিপুল জনতার সামনে ১১০ জোড়া দম্পতি একযোগে তাঁদের বিয়ের শপথ পাঠ করেন। ধর্মীয় গুরুদের তত্ত্বাবধানে রীতি-রেওয়াজ মেনে বিবাহ সম্পন্ন হয়। শুধু ইমাম হোসেন চত্বরেই নয়, সাবেক পারস্যের রাজধানী তেহরানের বেশ কয়েকটি প্রধান অঞ্চলে হয়েছে অনুষ্ঠানগুলি। সূত্রের খবর, অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার জুটি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। ‘জান-ফাদা’-এর আওতায় হয়েছে এই অনুষ্ঠানগুলি। উপস্থিত ছিলেন বর-কনের আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিশেষ এই দিনটি ছাড়াও ইরানে প্রায়ই এমন গণবিবাহের আয়োজন করা হয় বলে জানা গিয়েছে। উদ্দেশ্য, সাধারণ নাগরিকদের বিয়ের ব্যয়ভার কমানো। আয়োজকদের কথায়, এর মাধ্যমে সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে অন্যান্য প্রদেশেও এমন কাজ করা হতে পারে।

Advertisement

অন্যান্য বছরের তুলনায় বিশেষ নজর কেড়েছে চলতি বছরের অনুষ্ঠানটি। সামরিক গাড়িগুলিকেই ফুলের সাজে সাজিয়ে তাতে চড়ে বসেছিলেন নবদম্পতিরা। গাড়িতে ছিল বিভিন্ন সামরিক হাতিয়ারও। ভিডিয়োগুলি ছড়িয়ে পড়তেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। যুদ্ধের মাঝে দাঁড়িয়েও আশায় বুক বেঁধে কারও সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ঘটনা দেখে আবেগে ভেসেছে নেটপাড়া।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement