Viral Video

জলে ডুবে মৃত্যু শাবকের! মানতেই পারল না হস্তিনী, জাগানোর চেষ্টা করল ঘণ্টার পর ঘণ্টা, ভাইরাল ভিডিয়োয় চোখে জল নেটপাড়ার

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে ধর্মজয়গড় বন বিভাগের অন্তর্গত ছাল রেঞ্জে। সেখানে ৩৯টি হাতির একটি দল গভীর রাতে পুসালদা গ্রামের একটি জলাশয়ে স্নান করতে এসেছিল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ১৩:২২
Share:

ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

হৃদয়বিদারক দৃশ্য ছত্তীসগঢ়ের রায়গড়ের জঙ্গলে। মৃত শাবককে বার বার নাড়া দিয়ে জাগানোর চেষ্টা করতে দেখা গেল মরিয়া হস্তিনীকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সন্তানের দেহ আগলে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকল সে। মর্মান্তিক সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে ধর্মজয়গড় বন বিভাগের অন্তর্গত ছাল রেঞ্জে। সেখানে ৩৯টি হাতির একটি পাল গভীর রাতে পুসালদা গ্রামের একটি জলাশয়ে স্নান করতে এসেছিল। কিন্তু স্নানের সময় একটি হস্তীশাবক দুর্ঘটনাক্রমে পুকুরে ডুবে মারা যায়। কিন্তু এর পর যা ঘটে, তা গ্রামবাসী এবং বন কর্মকর্তা উভয়েরই মন ভেঙে দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মা হাতিটি সারা রাত তার শাবকের প্রাণহীন দেহের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। বার বার শুঁড় দিয়ে জাগানোর চেষ্টা করছিল সন্তানকে। পা দিয়েও আলতো করে ধাক্কা দিচ্ছিল যাতে সন্তান উঠে বসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হস্তিনী কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না যে তার সন্তান আর নেই। ওই ঘটনার সাক্ষী গ্রামবাসীরা সেই দৃশ্যকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে বর্ণনা করেছেন। অসহায় মা হাতিটিকে তাঁর শাবককে বাঁচানোর চেষ্টা চালিয়ে যেতে দেখে বেশ কয়েক জন কান্নায় ভেঙে পড়েন বলেও জানা গিয়েছে। ওই পরিস্থিতিতে পালের অন্যান্য হাতিদেরও কাছাকাছি দাঁড়িয়ে উচ্চস্বরে ডাকতে দেখা যায়। সেই ঘটনারই একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। খবর, গ্রামবাসীরা ঘটনাটি জানানোর পর বন বিভাগের কর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছোন। তবে, বনকর্তারা পৌঁছোনোর পরেও হাতিটি তার শাবকের মৃতদেহ থেকে সরে যেতে রাজি হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

সেই ঘটনার ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘ভয়েস অফ ছত্তীসগঢ়’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছেন। কান্নায় ভেঙে পড়েছে নেটপাড়া। ঘটনাটি আবারও বন্যপ্রাণী, বিশেষ করে হাতিদের, আবেগ অনুভবের গভীরতাকে প্রকাশ্যে এনেছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement