Viral Video

কোলে হাত, খাচ্ছেন একই প্লেট থেকে! প্রৌঢ় অধ্যাপক এবং তরুণী ছাত্রীর ভিডিয়ো নিয়ে বিতর্ক নেটপাড়ায়, প্রশ্ন উঠল সম্পর্ক নিয়েও

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, পূর্ণিয়ার একটি রেস্তরাঁয় বসে খোশমেজাজে খাবার খাচ্ছেন এক তরুণী এবং এক প্রৌঢ়। একই প্লেট থেকে দোসা ভাগাভাগি করে খাচ্ছেন। কথা বলার সময় প্রৌঢ়ের কোলে হাত রাখতেও দেখা গিয়েছে তরুণীকে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:২১
Share:

ছাত্রীর সঙ্গে খোশমেজাজে অধ্যাপক। ছবি: সংগৃহীত।

রেস্তরাঁয় পাশাপাশি বসে খোশমেজাজে কথা বলতে বলতে একই প্লেট থেকে দোসা খাওয়া। কথা বলার সময় কোলে হাত! বিহারের পূর্ণিয়ার এক অধ্যাপক এবং তরুণী পড়ুয়ার তেমনই একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। হইচই পড়েছে রাজ্য জুড়ে। একে অপরের প্রতি তাদের আচরণের ধরনও তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম

Advertisement

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, পূর্ণিয়ার একটি রেস্তরাঁয় বসে খোশমেজাজে খাবার খাচ্ছেন এক তরুণী এবং এক প্রৌঢ়। একই প্লেট থেকে দোসা ভাগাভাগি করে খাচ্ছেন। কথা বলার সময় প্রৌঢ়ের কোলে হাত রাখতেও দেখা গিয়েছে তরুণীকে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, ভাইরাল ভিডিয়োয় যাঁদের দেখা যাচ্ছে তাঁরা বিহারের পূর্ণিয়ার বাসিন্দা। তরুণী গবেষণার ছাত্রী। প্রৌঢ় তাঁরই অধ্যাপক। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই তাঁদের ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর অধ্যাপক-ছাত্রীর সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠে আসছে।

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ফার্স্ট বিহার ঝাড়খণ্ড নামের সংবাদমাধ্যমের এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটাগরিকেরা। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের একাংশ যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই অনেকে নিন্দায় সরব হয়েছেন। শিক্ষক-পড়ুয়ার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন অনেকে। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘এটা কি অধ্যাপক এবং তাঁর ছাত্রীর মধ্যের স্বাভাবিক সম্পর্ক বলে মনে হচ্ছে? আমার মনে হচ্ছে না। নিন্দনীয়।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘পিএইচডির সঙ্গে প্রাক্টিক্যাল বিনামূল্যে!’’

Advertisement

তবে ঘটনাটি নিয়ে বিতর্কের আবহে মুখ খুলেছেন ওই গবেষণার ছাত্রী। পুরো বিষয়টিকে ‘ব্যক্তিগত’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। সমালোচনা উড়িয়ে তরুণীর দাবি, যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তারা ঈর্ষার বশেই এমনটা করছেন। তরুণীর কথায়, “যখন অন্যদের কিছু হয় না, তখন তারা ঈর্ষা করে। আমার যায় আসে না। আমরা গবেষণার পড়ুয়া। আমরা আর সাধারণ শিক্ষার্থী নই। আমরা এখানে ছ’বছর ধরে পড়াশোনা করছি।” তরুণীর ওই মন্তব্যের ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে ‘রিস্কি যদুবংশী’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে। সেই ভিডিয়োটিরও সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement