ডাকাতি করতে এসে ধৃত আট

ডাকাতির উদ্দেশে জড়ো হওয়া আট দুষ্কৃতীকে হাতেনাতে ধরল পুলিশ। বুধবার রাত ন’টা নাগাদ ঘটকপুকুরের চৌমাথা মোড়ের ঘটনা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০১৪ ০০:৫৭
Share:

ডাকাতির উদ্দেশে জড়ো হওয়া আট দুষ্কৃতীকে হাতেনাতে ধরল পুলিশ। বুধবার রাত ন’টা নাগাদ ঘটকপুকুরের চৌমাথা মোড়ের ঘটনা।

Advertisement

ধৃতরা হলেন আরাফ আলি মোল্লা, খাদেম মোল্লা, মইদুল মোল্লা, হাসান লস্কর, রহুল আমিন গায়েন, আব্দুল কালাম, অশোক মণ্ডল ও জুলফিকার মোল্লা। পুলিশের দাবি, ধৃতরা জেরায় জানিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীবাড়ি থানা এলাকার নরঘাটে একটি সোনা দোকানে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে তাঁরা বেরিয়েছিল। সেখানে ওই গাড়ির মালিক সাহেব আলি মোল্লা ও তাঁর দুই শাগরেদ রহমত মোল্লা ও পচা মোল্লা তিনদিন আগে থেকে ডাকাতির জন্য ছক কষছিল। তাঁদের নির্দেশ মত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে এই আটজন রওনা দেয়।

ধৃতদের কাছ থেকে ৩টি পাইপগান, ১১ রাউন্ড গুলি, ২ কেজির মত বোমা তৈরির মশলা, ১টি উইন্ড মিটার, লম্বা পাইপ সহ ১টি গ্যাস কাটার মেশিন, ১টি এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার, ১টি অক্সিজেন সিলিন্ডার, দুই মুখ ছুঁচালো ৩টি লোহার রড ও ২টি শাবল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ তাঁদের গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করেছে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সাদা পোশাকে পুলিশ রাস্তার মোড়ে মোড়ে নজর রাখছিল। গাড়িটি ঘটকপুরে ঢুকছে খবর পেয়ে ওসি ওই এলাকায় সিগন্যাল লাল করে কৃত্রিম যানজট তৈরি করেন। সেই জটে গাড়িটি আটকা পড়লে ভাঙড় থানার ওসি আশিস দাসের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী গিয়ে তাঁদের ধরে ফেলে। পুলিশ দেখে কয়েকজন গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালানোর উপক্রম করলেও সেই চেষ্টা কোনও লাভ হয়নি। সব দেখেশুনে তাই মুখ দিয়ে কথা সরছে না প্রতক্ষ্যদর্শীদের।

জেলার পুলিশ সুপার প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠি বলেন, “আটজনের একটি ডাকাত দলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁরা এর আগেও একাধিক ব্যাঙ্ক ডাকাতি ও সাধারণ ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিল। ধৃতদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ একাধিক জিনিস উদ্ধার করা হয়েছে।’’ ধৃতদের বৃহস্পতিবার বারুইপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁদের চারদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement