সমবায় সমিতিতে ভোট স্থগিত, প্রতিবাদ বামেদের

শাসক দলের মদতে সমবায় সমিতির প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোট স্থগিত রেখেছে প্রশাসন, এমনই অভিযোগ তুলে দ্রুত ভোট গ্রহণের দাবিতে সোমবার দুপুরে বাগদা বিডিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাল বামেরা। ভোটে নিশ্চিত হার বুঝতে পেরেই প্রশাসনকে দিয়ে ভোট স্থগিত করেছে শাসক দল, এমনই অভিযোগ তাদের।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ জুলাই ২০১৫ ০০:৪১
Share:

শাসক দলের মদতে সমবায় সমিতির প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোট স্থগিত রেখেছে প্রশাসন, এমনই অভিযোগ তুলে দ্রুত ভোট গ্রহণের দাবিতে সোমবার দুপুরে বাগদা বিডিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাল বামেরা। ভোটে নিশ্চিত হার বুঝতে পেরেই প্রশাসনকে দিয়ে ভোট স্থগিত করেছে শাসক দল, এমনই অভিযোগ তাদের।

Advertisement

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আমডোব কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতির ভোট হওয়ার কথা ছিল রবিবার। ওই সমবায়টিতে শেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০০৮ সালে। সে বার জয়ী হয়েছিল বামেরা। ওই বোর্ডের কার্যকাল পেরিয়ে গিয়েছে বেশ কিছু দিন আগে। এখানে মোট আসন ৬০টি। ভোটার সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার। দশটি গ্রামের মানুষ ওই সমবায় সমিতির সঙ্গে যুক্ত। সমবায় সমিতির প্রাক্তন সম্পাদক সিপিএমের নির্মল ঘোষ বলেন, ‘‘আমরা চাই, দ্রুত ভোটের দিন ঘোষণা করা হোক।’’

ব্লক প্রশাসন সূত্রের খবর, স্থানীয় আষাঢ়ু পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান, বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং বাগদা ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মিলে বিডিও মালবিকা খাটুয়ার কাছে লিখিত দাবি পেশ করেছিলেন। তাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ওই কৃষি উন্নয়ন সমিতির ভোট স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়। প্রধান বিডিওকে জানিয়েছিলেন, প্রবল বৃষ্টিতে এলাকা জলমগ্ন হলে আমডোব প্রাথমিক স্কুলে ত্রাণ শিবির খুলতে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ওই সময়ে ভোট করা সম্ভব নয়। তা ছাড়া, পুলিশ ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছে, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে ভোট করা সম্ভব নয়। কারণ, সে সময়ে যদি আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হয়, তা সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত কর্মী তাঁদের নেই। বিডিও বিষয়টি জেলার ডেপুটি রেজিস্ট্রার অফ কো-অপারেটিভ সোসাইটির কাছে জানান। এরপরেই ভোট স্থগিত হয়। ডেপুটি রেজিস্ট্রার বলেন, ‘‘বৃষ্টির কারণে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। আবহাওয়া ভাল হলে ভোট করা হবে।’’

Advertisement

বাগদা ব্লক তৃণমূল সভাপতি তুলসি বিশ্বাস জানান, ভারি বৃষ্টিতে ওই এলাকার বহু জায়গা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। মানুষ ঘর থেকে বেরোতে পারছিলেন না। ভোটে জয়ী হওয়ার চাইতে মানুষের পাশে দাঁড়ানোটা আমাদের বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়েছে। সে কারণেই প্রশাসনের কাছে ভোট স্থগিত রাখার দাবি করা হয়েছিল।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement