সোমবার ডায়মন্ড হারবারের সেবাশ্রয় শিবিরে অভিষেক-পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত।
সাধারণতন্ত্র দিবসে সাধারণের সঙ্গে মিশে গেলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার অভিষেকের কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারের সেবাশ্রয় শিবিরে গিয়েছিলেন তিনি। দেখা গেল বাকি সকলের মতো নিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করিয়েছেন তিনি।
ডায়মন্ড হারবার লোসকভায় সেবাশ্রয়ের দ্বিতীয় পর্ব চলছে। সোমবার ডায়মন্ড হারবার এসডিও মাঠে সেবাশ্রয়ের মডেল ক্যাম্পে গিয়েছিলেন রুজিরা। এ বারই প্রথম স্বাস্থ্য পরিষেবা শিবিরে সশরীরে উপস্থিত হলেন অভিষেক-জায়া। রুজিরা পৌঁছেছেন শুনে সেবাশ্রয়ে পরিষেবা নিতে আসা রোগীরাও তাঁকে ঘিরে ধরে নিজস্বী তোলেন। বেশ খানিক ক্ষণ শিবিরে ছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, এ বারই প্রথম ডায়মন্ড হারবারের মডেল ক্যাম্পটি দোতলা করে গড়ে তোলা হয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে ১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনা-সহ কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে ‘বঞ্চনার’ প্রতিবাদে দিল্লিতে অভিষেকের নেতৃত্বে তৃণমূলের কর্মসূচি হয়েছিল। সেখান থেকে কলকাতায় ফিরেই রাজভবন অভিযান করেছিলেন অভিষেক। সেই সময়ে রাজ্যপাল ছিলেন উত্তরবঙ্গে। রাজ্যপালের দেখা না পেয়ে রাজভবনের অদূরে রেডক্রস প্লেসে ধর্না শুরু করেছিলেন তৃণমূলের সেনাপতি। যে দিন সন্ধ্যায় অভিষেক ধর্না শুরু করেছিলেন, সে দিনই অকুস্থলে এসে স্বামীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন রুজিরা। খানিক ক্ষণ থেকে ফিরে গিয়েছিলেন বাড়িতে।
রুজিরা সক্রিয় রাজনীতি না-করলেও অভিষেক বারংবার দলীয় মঞ্চ থেকে দাবি করেন, রাজনৈতিক ‘প্রতিহিংসা’ থেকে তাঁর স্ত্রী, সন্তান, বাবা, মা-কেও বাদ রাখা হয়নি। প্রসঙ্গত, কয়েক বছর আগে ইডির তলবে কোলে পুত্রসন্তানকে নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়েছিলেন রুজিরা। সোমবার তাঁকে দেখা গেল অভিষেকের সংসদীয় এলাকা ডায়মন্ড হারবারের সেবাশ্রয় শিবিরে। এই প্রথমবার।