Lakshmir Bhandar Row

‘কাটমানি’ নিয়ে ৩০ যুবতীকে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাইয়ে দিয়েছেন! ৩ সিভিক বরখাস্ত, জড়িত আরও এক

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারেন ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলারা। কিন্তু আউশগ্রাম-১ ব্লকের দারিয়াপুর এলাকার ৮-১০ জন যুবতী, যাঁদের বয়স ২৫ বছরের কম, তাঁদের অনুদান পাইয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:২৩
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

নিয়ম বহির্ভূত ভাবে রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানে। বেআইনি কাজে নাম জড়াল বিডিও অফিসের এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর এবং আউশগ্রাম থানার তিন সিভিক ভলান্টিয়ারের।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, বয়স ২৫ পেরোয়নি, এমন ৩০ জন যুবতীকে লক্ষ্মীর ভান্ডারের অনুদান পাইয়ে দিয়েছেন বলে চার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, এই কারচুপির ‘মাথা’ আউশগ্রাম-২ ব্লকের বিডিও অফিসের এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর। তাঁর সঙ্গে আউশগ্রাম থানার তিন সিভিক ভলেন্টিয়ারের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। ইতিমধ্যে ওই তিন সিভিক ভলেন্টিয়ারকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্তপ্রক্রিয়া শেষ না-হওয়া পর্যন্ত তাঁরা কাজে যোগ দিতে পারবেন না বলে জানানো হয়েছে।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারেন ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলারা। কিন্তু আউশগ্রাম-১ ব্লকের দারিয়াপুর এলাকার ২৫ বছরের কমবয়সি ৮-১০ জন উপভোক্তাকে অনুদান পাইয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। জানা যাচ্ছে, এক সিভিক ভলান্টিয়ার কাটমানির বিনিময়ে বেআইনি ভাবে এই সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। দু’দিন আগে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে তদন্ত শুরু করে।

Advertisement

তদন্তে উঠে এসেছে, শুধু দারিয়াপুর নয়, আউশগ্রামের এড়াল এলাকাতেও একই ভাবে অনিয়ম হয়েছে। বিডিও অফিসের এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটরকে এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। প্রয়োজনে আবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement