আসানসোল পুরসভায় কমিটি গড়া হল অবশেষে

পুরবোর্ড গঠনের পরে বেশ কয়েক মাস কেটে গেলেও বিভিন্ন দফতরের স্থায়ী কমিটি ও পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি গঠন হয়নি। আসানসোলে এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছিল বিরোধীরা। বিধানসভা ভোটগ্রহণ শেষের পরে অবশেষে সেই সব কমিটি তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেন পুর কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ মে ২০১৬ ০২:১৮
Share:

পুরবোর্ড গঠনের পরে বেশ কয়েক মাস কেটে গেলেও বিভিন্ন দফতরের স্থায়ী কমিটি ও পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি গঠন হয়নি। আসানসোলে এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছিল বিরোধীরা। বিধানসভা ভোটগ্রহণ শেষের পরে অবশেষে সেই সব কমিটি তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেন পুর কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি বোর্ডের সভায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি।

Advertisement

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কমিটিগুলি তৈরি না হওয়ায় বিরোধী কাউন্সিলররা বার কয়েক মেয়রের কাছে ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন। শেষে সেগুলি তৈরির ব্যাপারে বোর্ডসভায় অনুমোদন হয়েছে। মেয়র জানান, কাউন্সিলরদের সর্বসম্মতিতে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত হয়েছেন সিপিএমের তাপস কবি। এই কমিটির বাকি সদস্যদের পরে মনোনয়ন দেওয়া হবে। এ বার পুরসভায় মোট ১২টি স্থায়ী কমিটি তৈরি করা হবে। প্রত্যেক কমিটিতে ৯ জন করে সদস্য থাকবেন। সব ক’টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা তাতে থাকবেন। প্রতি মাসে দু’বার করে কমিটির সদস্যেরা সভা করবেন।

কুলটিতে সরকার অনুমোদিত একটি প্রাথমিক স্কুলে সম্প্রতি মিড-ডে মিল নিয়ে বেনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এর তদন্তের দাবি তুলেছেন কুলটির জনা কয়েক কাউন্সিলর। মেয়র জিতেন্দ্রবাবু জানান, তদন্ত করতে পুরসভার শিক্ষা দফতরের মেয়র পারিষদ অঞ্জনা শর্মা ও বরো চেয়ারম্যান গোলাম সরওয়ারকে নিয়ে একটি কমিটি গড়া হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত শেষ করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

রানিগঞ্জে পুরসভার অধীনে থাকা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির কয়েক জন কর্মীকে অন্যত্র বদলির প্রস্তাব দিয়েছেন স্বাস্থ্য দফতরের মেয়র পারিষদ দিব্যেন্দু ভগত। কয়েক জন বিরোধী কাউন্সিলর এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন। মেয়র দফতরের কাজকর্মে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই প্রস্তাবের বিরোধিতা না করার অনুরোধ জানান। গরমে পুর এলাকায় প্রবল পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা সমীক্ষা চালিয়ে বুঝেছেন, শহরে আরও অন্তত দু’টি উচ্চ জলাধার তৈরি করা প্রয়োজন। সেই মতো জল দফতরের মেয়র পারিষদ পূর্ণশশী রায়ের প্রস্তাবে ডিহিকা ও কল্যানপুর স্যাটেলাইট টাউনশিপ প্রজেক্ট এলাকায় দু’টি জলাধার তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। পুরসভা সূত্রের খবর, আসানসোলে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের দু’পাশে বেশ কিছু হোটেল ও বহুতল রয়েছে, যেগুলির অনুমোদন নেই। সেগুলি চিহ্নিত করে মালিকদের নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement