জেলবন্দিকে জামিনের টোপ দিয়ে লক্ষাধিক টাকার প্রতারণা, ভাতারে গ্রেফতার যুবক

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৩ ২৩:১১
Share:

—প্রতীকী ছবি।

খুনের ঘটনায় জেলবন্দি অভিযুক্তকে জামিন পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিতেন যুবক। পুলিশের নাম করে আদায় করতেন লক্ষ লক্ষ টাকা! এই অভিযোগ পাওয়ার পরেই ওই যুবককে গ্রেফতার করল পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম শেখ মজনু। ভাতারের বলগোনা এলাকায় তাঁর বাড়ি। শুক্রবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ধৃতের কাছ থেকে এক লক্ষ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর পুলিশ সূত্রে। শনিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে হাজির করানো হয়।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত জুন মাসে ভাতারের রাধানগর গ্রামে পারিবারিক বিবাদের জেরে শেখ মনিরুদ্দিন নামে এক যুবককে ছুরি দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়। ওই ঘটনায় নিহতের তুতো ভাই শেখ সামিম নামে এক কলেজপড়ুয়াকে গ্রেফতার হন। ধৃত নিজের অপরাধ স্বীকারও করে নিয়েছিলেন তখন। ওই ঘটনার পর থেকেই শেখ সামিম বর্ধমান সংশোধনাগারে বন্দি। পুলিশ সূত্রেই জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সামিমের বাবা শেখ আনসার আলি শুক্রবার ভাতার থানায় শেখ মজনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। আনসার অভিযোগ, শেখ মজনু নামে ওই ব্যক্তি তাঁর পূর্ব পরিচিত। সেই পরিচিতির সুবাদে ছেলের জামিন করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভাতার থানার ওসির নাম করে তাঁর কাছে তিন দফায় এক লক্ষ ১৫ হাজার টাকা নেন বলে অভিযোগ।

শেখ আনসার আলি পুলিশের কাছে দাবি করেছেন, গত জুন মাসের ১৫ তারিখ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত তিন ধাপে মোট এক লক্ষ টাকা নেন শেখ মজনু। অভিযোগকারী বলেন, ‘‘শেখ মজনু আমাকে বলেছিলেন, ছেলের জামিন করাতে হলে পুলিশকে দেড় লক্ষ টাকা দিতে হবে। আমি বিশ্বাস করে এক লক্ষ পনেরো হাজার টাকা টাকা দিই। এর পর জামিন না হলে খবর নিয়ে জানতে পারি, পুলিশের নাম করে শেখ মজনু আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। আমি ওকে টাকা ফেরত চাইলে উল্টে আমাকে হুমকি দেখায়।’’

Advertisement

অভিযোগ পাওয়ার পরেই মজনুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর বাড়ি থেকে এক লক্ষ পনেরো হাজার টাকা উদ্ধারও হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে নির্দিষ্ট ধারায়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement