ভোট-ময়দানে দিনভর প্রচার।
মিছিল, ছোট ছোট জনসভা থেকে বাড়ি বাড়ি কড়া নাড়া— মন্তেশ্বর উপনির্বাচনে ভোটারদের মন পেতে এ ভাবেই রবিবাসরীয় প্রচারে বিভিন্ন কর্মসূচি নিল শাসক-বিরোধী, সব পক্ষই।
এ দিন সকাল থেকেই ছোট ছোট জনসভা শুরু করে তৃণমূল। বেলা ১০টা নাগাদ কুলুট গ্রামে পাঁচটি বুথের বাসিন্দাদের নিয়ে সভা করেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী, জেলা সভাধিপতি দেবু টুডু প্রমুখ। এ ছাড়াও জনসভা করা হয় বড় পলাশন দিঘিরপাড়, বোহার বাজার ও কুসুমগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে। জনসভার পাশাশি মন্তেশ্বর থেকে লোহারগ্রাম, ধান্যখেঁড়ুর থেকে মধ্যমগ্রাম ও দেয়ওয়ানিয়া এলাকায় মিছিলেরও আয়োজন করে তৃণমূল। মিছিলগুলির নেতৃত্বে ছিলেন দলের ছাত্র সংগটনের সভাপতি বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাতারের বিধায়ক সুভাষ মণ্ডল প্রমুখেরা। স্বপনবাবুর দাবি, ‘‘প্রতিটি মিছিলেই মানুষের বিরাট উপস্থিতি নজরে পড়েছে।’’ শনিবার মেমারির সাতগাছিয়া বাজার ও মন্তেশ্বর ব্লকের একতা মঞ্চে কর্মিসভা করেন তৃণমূলের বর্ধমান জেলার পর্যবেক্ষক অরূপ বিশ্বাস।
রয়েছে সব দলই।
একদা শক্ত ঘাঁটি মন্তেশ্বর ভাল ফল করতে রবিবাসরীয় প্রচারে নেমেছিলেন বাম নেতা-কর্মীরাও। দিনভর বিজুড় ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রচার সারেন সিপিএম প্রার্থী ওসমান গনি সরকার। সন্ধ্যায় মামুদপুরে কর্মী বৈঠক করা হয়। দলের মেমারি ২ জোনাল কমিটির সম্পাদক অশেষ কোনারের দাবি, প্রচারে শাসক দলের বাধা সত্ত্বেও মানুষের ঢল নামছে।
প্রচারে পিছিয়ে ছিল না পদ্ম শিবিরও। এ দিন বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পোদ্দার প্রচার সারেন জামনা, ভাগড়া, শ্যামবাজার, বরণ্ডলা, গনগনিয়া, করন্দা, পিপলন ও বামুনিয়ায়। বামুনিয়া, মেমারির বড়া ও সোতলায় সভা করে বিজেপি। বিশ্বজিৎবাবু এ দিন বলেন, ‘‘ছুটির দিনে বহু মানুষের কাছে পৌঁছনোর সুযোগ ছিল। মানুষের কাছ থেকে ভাল সাড়া পাচ্ছি।’’
রবিবার তোলা নিজস্ব চিত্র।