বন্ধ পড়ে বাজারের ভবন। নিজস্ব চিত্র।
পুরসভার কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত মাছের বাজার দুর্গাপুরে পড়ে রয়েছে বছরের পর বছর। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। অবিলম্বে বাজারটি চালুর দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরাও। পুরসভা দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, অপূর্ব মুখোপাধ্যায় মেয়র থাকাকালীন সিটি সেন্টারের ডেইলি মার্কেটের পাশে স্থায়ী মাছের বাজার নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ডেইলি মার্কেটের নির্দিষ্ট পাকা ঘরগুলিতে সবজি, মাছের ব্যবসায়ীদের জায়গা হয় না। অনেকেই অস্থায়ী ছাউনিতে ব্যবসা করেন।
মাছ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট পাকা জায়গা না থাকায় বৃষ্টি হলে ভিজতে হয়। বিক্রিবাটা করতেও সমস্যা হয়। তাঁদের সমস্যার সমাধানে পুরসভা প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ভবনটি নির্মাণ করে। কম-বেশি ২৭টি ঘর রয়েছে বাজারে।
বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, পাকা ভবন তৈরি হয়েও পড়ে রয়েছে বছরের পর বছর। অথচ রোদবৃষ্টি মাথায় নিয়ে ব্যবসা করতে হচ্ছে। রাতে সেখানে মাঝেমধ্যে মদের আসর বসে বলেও অভিযোগ তাঁদের। বেআইনি ভাবে ঘরগুলি দোকানদারদের কেউ কেউ তাঁদের মালপত্র রাখার কাজে ব্যবহার করেন। পুরসভাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনও ফল হয়নি। এমনই দাবি ব্যবসায়ীদের। জমির মালিকানা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে তাঁদের কেউ কেউ জানান।
বিজেপির বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বাজার নির্মাণের কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘দোকানদাররা কত দ্রুত দোকান পাবেন, কারা পাবেন, এ সব স্বচ্ছ ভাবে জানাতে হবে। এত বছর পরেও কাজ শেষ হয়নি। এর দায় সম্পূর্ণ ভাবে পুরসভার।’’
পুরসভা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পুর-প্রশাসক অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়ের দাবি, বাজারের জায়গা নিয়ে কোনও অভিযোগ নেই। বাজারটি চালুর ব্যাপারে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘বাজারের ঘর কাদের দেওয়া হবে, কত ভাড়া নেওয়া হবে, এ সব নিয়ে আলোচনা চলছে। আমরা শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। বোর্ড মিটিংয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। দ্রুত বাজারটি চালু হবে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে