TMC

‘ওয়াশিং মেশিন’ ভূমিকায় সায় বিজেপি নেতা জয়প্রকাশের

রবিবার কৃষ্ণনগরের রাজবাড়ির মাঠ সংলগ্ন এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কী বাত’ অনুষ্ঠানে এসে জয়প্রকাশবাবু দাবি করেন যে, নদিয়াতে তৃণমূলের রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৯:১৬
Share:

কৃষ্ণনগরে জয়প্রকাশ। নিজস্ব চিত্র

কিছু দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে বলেছেন ওয়াশিং মেশিন’। রবিবার কৃষ্ণনগরে দাঁড়িয়ে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার তাঁর নিজের দলকে ‘ওয়াশিং মেশিন’ বলেই কার্যত মেনে নিলেন। তিনি এ দিন বললেন, “ওয়াশিং মেশিনের বিষয়টি বিজেপিতে আছে। এখনে ‘সেফটি নেট’ আছে। বিজেপি এমন একটি দল যার বিচারধারা আছে, যার নিষ্ঠা আছে। তৃণমূলের মতো তারা নীতিহীন দল নয়।”
রবিবার কৃষ্ণনগরের রাজবাড়ির মাঠ সংলগ্ন এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কী বাত’ অনুষ্ঠানে এসে জয়প্রকাশবাবু দাবি করেন যে, নদিয়াতে তৃণমূলের রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক নেতাই পা বাড়িয়ে আছে। কিন্তু তাঁরা তৃণমূলের প্রতিহিংসার রাজনীতির কারণে এখনও বিজেপিতে আসতে পারছেন না।
তাঁর আরও বক্তব্য ছিল, ‘‘এই নেতারাই আসলে এতদিন সন্ত্রাসের, প্রতিহিংসার রাজনীতি করে এসেছেন বলে তৃণমূলের প্রতিহিংসার রাজনীতির কথা ভালই জানেন। তাই তাঁরা ভয় পাচ্ছেন।’’ তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, যে নেতারা এতদিন বিজেপির নেতা-কর্মীদের উপরে সন্ত্রাস করেছে তাঁদের কি বিজেপি-তে নেওয়া হবে? বিজেপি কি সত্যিই ওয়াশিং মেশিন? এর উত্তর দিতে গিয়েই জয়প্রকাশবাবু বিজেপিতে ওয়াশিং মেশিনের বিষয়টি আছে বলে দাবি করেন।
তাঁর মতে, অনেকেই দস্যু রত্নাকর থেকে বাল্মীকি হতে চান। তাঁদের সেই সুযোগটা দেওয়া উচিৎ। তিনি বলেন, “আসলে সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস। বিজেপিতে তাঁরা সেই সৎ সঙ্গ পাবেন। বিজেপিতে অপরাধ করার সুযোগ নেই।’’ তিনি আরও দাবি করেন যে, শত্রু শিবিরের নেতারা তাঁদের দলে যোগ দেওয়াটাও আসলে দলের এক প্রকার জয়। সব সময় হত্যা করে বা পরাজিত করে জয় হয় না।
এ দিন ধুবুলিয়ার হাঁসাডাঙার কাছে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিজেপি-র আরেক নেতা তথা কেন্দ্রীয় মৎস ও পশুপালন দফতরের প্রতিমন্ত্রী সঞ্জীব বলিয়ান। তিনি অভিযোগ করেন, ‘‘এলাকায় গ্রামের সব ঘর মাটির। অথচ, প্রধানমন্ত্রী দেশের দু’কোটি ঘর বানানোর কথা বলছেন। দুঃখের বিষয় হল, কেন্দ্রের কোনও প্রকল্পের সুবিধা পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে পেতে দিচ্ছে না এ রাজ্যের সরকার। তাঁর বক্তব্য, “খুশির বিষয় হল, এই রাজ্যের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপির সরকার তৈরি করবে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার মিলে তখন রাজ্যের উন্নয়ন করা হবে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement