Coronavirus

উপসর্গ নিয়ে আইসোলেশন ওয়ার্ডে সার্জন

জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, বাঁকুড়ার একটি সরকারি কুষ্ঠ হাসপাতালে রোগী দেখার কথা ছিল উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের বাসিন্দা ওই প্লাস্টিক সার্জনের।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ মার্চ ২০২০ ০৩:১৭
Share:

ফাইল চিত্র।

কলকাতা থেকে রোগী দেখতে বাঁকুড়া এসেছিলেন তাঁরা। করোনা-আক্রান্ত সন্দেহে সেই দলের এক প্লাস্টিক সার্জনকে সোমবার বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর দুই সঙ্গী চিকিৎসককে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে লজের ঘরে। তিন জনেই শহরের গোবিন্দনগর এলাকার একটি লজে উঠেছিলেন।

Advertisement

জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, বাঁকুড়ার একটি সরকারি কুষ্ঠ হাসপাতালে রোগী দেখার কথা ছিল উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের বাসিন্দা ওই প্লাস্টিক সার্জনের। তিনি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত। সদ্য লন্ডনে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার বাড়ি ফেরেন। রবিবার সন্ধ্যায় তিনি বাঁকুড়া শহরে পৌঁছন। লজে পৌঁছনোর পরে, গলাব্যথা ও কাশির উপসর্গ দেখা দেয়। তিনি তখন জেলা স্বাস্থ্য দফতরে নিজের অসুস্থতার কথা জানান। সোমবার সকালে স্বাস্থ্য দফতরের উদ্যোগেই তাঁকে বাঁকুড়া মেডিক্যালে আইসোলেশনে ভর্তি করানো হয়।

বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম প্রধান বলেন, “ওই ডাক্তারের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে নাইসেডে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।” স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, ওই তিন ডাক্তারকে বাঁকুড়া স্টেশন থেকে জেলা স্বাস্থ্য দফতরেরই একটি গাড়িতে চাপিয়ে লজে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চালক ছাড়াও সেই গাড়িতে ছিলেন জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্মী। তাঁদের ছাতনা হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বাঁকুড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামল সোরেন বলেন, “হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডাক্তারের স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট মেলার পরে উনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কি না, সেটা বলা যাবে। আমরা সতর্ক রয়েছি।”

Advertisement

বাঁকুড়া যাওয়ার আগে কলকাতায় একটি অস্ত্রোপচার করেছিলেন পর্যবেক্ষণে থাকা সার্জন। মেডিক্যাল কলেজের সুপার ইন্দ্রনীল বিশ্বাস বলেন, ‘‘সেই সময় অস্ত্রোপচার কক্ষে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পরে ব্যবস্থা নেব।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement