প্রেমিকের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হল বিবাহিত নাবালিকাকে

বৌভাতের দিনই শ্বশুরবাড়ির থেকে ১৪ বছরের বৌমাকে উদ্ধার করল পুলিশ। সঙ্গে ছিল চাইল্ড লাইনের প্রতিনিধি। মাস দুয়েক আগে একটি বিয়ে বাড়িতে আলাপ হয়েছিল দু’জনের। ছেলেটি ফোন নম্বর দিয়ে বলেছিল ফোন করতে। নাবালিকা মেয়েটির কোনও ফোন ছিল না। কিন্তু এর জন্য প্রেম থেমে থাকেনি। অন্যের ফোন থেকে মেয়েটি মিসকল দিত ওই যুবককে। সে ওই নম্বরে ফোন করত।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০১৪ ০১:১৪
Share:

বৌভাতের দিনই শ্বশুরবাড়ির থেকে ১৪ বছরের বৌমাকে উদ্ধার করল পুলিশ। সঙ্গে ছিল চাইল্ড লাইনের প্রতিনিধি।

Advertisement

মাস দুয়েক আগে একটি বিয়ে বাড়িতে আলাপ হয়েছিল দু’জনের। ছেলেটি ফোন নম্বর দিয়ে বলেছিল ফোন করতে। নাবালিকা মেয়েটির কোনও ফোন ছিল না। কিন্তু এর জন্য প্রেম থেমে থাকেনি। অন্যের ফোন থেকে মেয়েটি মিসকল দিত ওই যুবককে। সে ওই নম্বরে ফোন করত। এভাবেই চলছিল প্রেমপর্ব। ছেলেটি তাকে জানিয়েছিল সে মোটা মাইনের চাকরি করে। তাকে বিয়ে করলে ভালই থাকবে। তাই প্রেমিকের কথায় রাজি হয়ে গত শুক্রবার বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিল নাবালিকা। রবিবার ছিল বৌ-ভাত। উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর থানার বামনগাছি রামকৃষ্ণপল্লি এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে জোর কদমে তার প্রস্তুতিও চলছিল। কিন্তু সব ভেস্তে দিয়ে পুলিশ হাজির হয় সেখানে। শাঁখা-সিঁদুর পরা মেয়েটিকে হাবরা থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে মেয়েটিকে চাইল্ড লাইনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালিকা মেয়েটির বাড়ি হাবরা থানার মছলন্দপুরে। বাবা কাঠের মিস্ত্রী। দুই মেয়ে। শনিবার হাবরা থানায় মেয়ের পরিবারের তরফে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছিল। রাতে মেয়ের খবর পেয়েই হাবরা থানার পুলিশ বাড়িতে খবর দেয়। হাবরা থানার কাছ থেকে খবর পেয়ে দত্তপুকুর থানা থেকে রাতেই তার শ্বশুরবাড়িতে যান বাবা।

Advertisement

পুলিশকে মেয়েটি জানায়, তারা দত্তপুকুরের একটি মন্দিরে বিয়ে করেছে। তবে এখন সে বাবা-মায়ের কাছে ফিরে গিয়ে লেখা-পড়া করতে চায়। পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, “তাঁরা একটি নিখোঁজ ডায়েরি পেয়েছিলেন। তার ভিত্তিতে নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়।”

চাইল্ড লাইনের হাবরা ব্লকের সহকারী কোয়ার্ডিনেটর হিরণময় বিশ্বাস বলেন “মেয়েটিকে জেলা চাইল্ড ওয়েরফেয়ার কমিটির অনুমতি নিয়ে তার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বাবা মেয়েকে লেখা-পড়া করাতে চান। আমাদের পক্ষ থেকে যাবতীয় সহযোগিতা করা হবে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement