Election Commission Meeting

পঞ্চায়েত-পুরসভা, লোকসভা-বিধানসভা ভোটের আইনের সমন্বয় চাই, কমিশনের প্রস্তাব রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের

দেশ জুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) আবহে রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলির সঙ্গে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ২৭ বছর পরে এমন বৈঠক হল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:০৫
Share:

পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে কমিশনের বৈঠকে। —প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

পঞ্চায়েত এবং পুরসভা নির্বাচনের আইনের সঙ্গে লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচনের আইনের সমন্বয়ের জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের একসঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্যগুলির নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দীর্ঘ ২৭ বছর পর কমিশনের গোলটেবিল বৈঠক হয়েছে। মঙ্গলবার নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ওই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচন কমিশনারেরা। বৈঠকের সভাপতিত্বে ছিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। উপস্থিত ছিলেন অন্য দুই কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশীও। দেশ জুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) আবহে রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলির সঙ্গে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের এই বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

নির্বাচনের কাজে রাজ্যের সঙ্গে কমিশনের সমন্বয়ের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব নীলাঞ্জন শাণ্ডিল্য। রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলি সাধারণত পঞ্চায়েত এবং পুরসভা ভোটের আয়োজন করে। বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরি এবং নির্বাচনে স্বচ্ছতা যে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি, বৈঠকে সে বিষয়ে জ্ঞানেশদের সঙ্গে একমত হয়েছেন রাজ্যের আধিকারিকেরা। দেশ ও সংবিধানের স্বার্থে কমিশন সমস্ত রাজ্যের কমিশনারের সঙ্গে পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়া ও আইনগত কার্যকর কাঠামো তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এর ফলে ভোট এবং সেই সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সমন্বয় সম্ভব হবে।

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব নীলাঞ্জন শাণ্ডিল্য। মঙ্গলবার দিল্লির বৈঠকে। —নিজস্ব চিত্র।

কমিশনের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্মকাণ্ডে রাজ্যের আধিকারিকদের যোগ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন জ্ঞানেশ। ভোট প্রক্রিয়া আরও সুসংহত করার জন্য বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের তরফে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে বেশ কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারদের নেতৃত্বে আইন ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞেরা ওই সমস্ত প্রস্তাব বিবেচনা করবেন। এ ছাড়া, জাতীয় স্বার্থে উপযুক্ত সিদ্ধান্তের জন্য আগামী তিন মাসের মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলভিত্তিক একটি পরিকল্পনা কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে মঙ্গলবারের বৈঠকে। ঠিক হয়েছে, এ বার থেকে প্রতি বছর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বৈঠক হবে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement