—প্রতীকী চিত্র।
ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে হাওড়ার নার্সিংহোমগুলিতে ভাঙচুর, বিক্ষোভ অব্যাহত। রবিবার রাতে পেটে অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে ভর্তি হওয়া এক প্রৌঢ়া সোমবার সকালে মারা যাওয়ার পরেই বালিটিকুরির একটি নার্সিংহোমে ভাঙচুর চালান তাঁর বাড়ির লোকজন। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামলায়। গত মাসে বাঁকড়ার একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসায় গাফিলতিতে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনাতেও ওই নার্সিংহোমটিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছিলেন মৃতার পরিজনেরা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে পেটে যন্ত্রণা নিয়ে বালিটিকুরির একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন ডোমজুড়ের বাসিন্দা ৬৭ বছরের আরতি পণ্ডিত। পরিবারের অভিযোগ, সোমবার সকালেও তিনি সবার সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবে কথা বলেছেন। তার পরে একটি ইনজেকশন দেওয়ায় প্রৌঢ়ার শরীর অস্বাভাবিক ভাবে ফুলে যায়। এর কিছু ক্ষণের মধ্যেই মারা যান আরতি।
আরতির ছেলে সনাতন পণ্ডিত বলেন, ‘‘মাকে ভুল ইনজেকশন দেওয়ার পরেই তাঁর পেট ফুলে যায়, নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বেরোতে থাকে। এর পরেই উনি মারা যান।’’ পরিবারের লোকজনের দাবি, আরতি এতটাও অসুস্থ ছিলেন না যে, তিনি মারা যাবেন।
এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আরতির পরিজনেরা। তাঁরা নার্সিংহোমে ভাঙচুর চালান। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটে আসে দাশনগর থানার পুলিশ। হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘‘বৃদ্ধার মৃত্যুর ঘটনায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। ভাঙচুরের তদন্ত শুরু হয়েছে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে