Mangal Dosha Remedies

কোষ্ঠীতে মঙ্গল নীচস্থ থাকা মানেই কি সেই ব্যক্তি মাঙ্গলিক? গ্রহরত্ন ছাড়া কুফলদায়ী লাল গ্রহকে বশে আনার উপায় কী?

মঙ্গল অশুভ স্থানে থাকলে রাগের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায় না। ছোটখাটো বিষয়ে মাথা গরম হয়ে যায়। নানা দিক থেকে বাধার সম্মুখীন হতে হয়।

Advertisement

বাক্‌সিদ্ধা গার্গী

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:০৩
Share:

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গল গ্রহের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। মঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে রাগ, সাহস এবং আত্মবিশ্বাসের। যে ব্যক্তির ভাগ্যে মঙ্গলের কৃপা থাকে, তাঁর মধ্যে আত্মবিশ্বাসের কোনও অভাব দেখা যায় না। সেই ব্যক্তি সাহস নিয়ে যে কোনও কাজের ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে পারেন এবং সফলতার চুড়োয় পৌঁছোন। তবে কোষ্ঠীতে মঙ্গল যদি নীচস্থ থাকে, তা হলে জীবনে সমস্যার শেষ থাকে না। কিন্তু মঙ্গলের দোষ মানেই যে সে ব্যক্তি মাঙ্গলিক, এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কোষ্ঠীতে বিশেষ কিছু স্থানে মঙ্গলের অবস্থান মাঙ্গলিক দশার নির্দেশ করে। লাল গ্রহ অশুভ স্থানে থাকলে রাগের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায় না। ছোটখাটো বিষয়ে মাথা গরম হয়ে যায়। নানা দিক থেকে বাধার সম্মুখীন হতে হয়। আত্মবিশ্বাসের অভাবে সিদ্ধান্তগ্রহণেও বেগ পেতে হয়। তবে কিছু টোটকা পালনে মঙ্গলের কুপ্রভাব থেকে মুক্তি মেলে।

Advertisement

মঙ্গলের কুপ্রভাব থেকে বাঁচতে কোন উপায়গুলি মানবেন?

১. মঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বজরংবলীর। হনুমানজির কৃপায় মঙ্গলের অশুভ প্রভাব থেকে রেহাই মেলে। তাই প্রতি মঙ্গলবার ও শনিবার করে হনুমানজির উপাসনা করতে হবে। এই দুই দিন কমলা মিষ্টি ও সিঁদুর হনুমান মন্দিরে দান করতে পারলে খুব ভাল ফল মিলবে। এর সঙ্গে একটি করে দেশলাইয়ের বাক্সও দিতে পারেন। এ ছাড়া নিয়মিত হনুমান চালিশা পাঠ করা আবশ্যিক।

Advertisement

২. মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। শাস্ত্রমতে, লাল রঙের অতি ব্যবহারে মঙ্গলের অশুভ দশা থেকে মুক্তি মেলে। তাই মঙ্গলবার করে লাল রঙের জামা পরুন। এ ছাড়া যে কোনও জরুরি কাজে যাওয়ার সময় লাল রঙের জামা পরে যান। সেটি সম্ভব না হলে সঙ্গে একটি লাল রঙের রুমাল অবশ্যই রাখুন।

৩. প্রতি দিন গুড় খেলেও মঙ্গলের কুপ্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই প্রতি দিনের খাদ্যতালিকায় গুড় অবশ্যই রাখুন। সম্ভব হলে গরুকেও গুড় খাওয়াতে পারেন। এর ফলেও মঙ্গলের দশা কাটিয়ে ওঠা যায়।

৪. মঙ্গলবার করে মুসুর ডাল, লাল রঙের বস্ত্র, গুড় প্রভৃতি দান করতে পারেন। এর ফলে মঙ্গলের অশুভ প্রভাব থেকে মুক্তি মেলে।

৫. মঙ্গলের প্রভাবে জীবনে অশান্তি যদি মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পায়, তা হলে বাড়িতে মঙ্গল শান্তির পুজো করানো যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ জ্যোতিষী বা পূজারির পরামর্শ নেওয়া আবশ্যিক। জ্যোতিষীর পরামর্শ মেনে কোনও গ্রহরত্নও ধারণ করা যেতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement