—প্রতীকী চিত্র।
দু’জনে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন প্রায় সাত বছর। তার পরে বিয়ে। তবে অষ্টমঙ্গলায় বাপের বাড়িতে আসা হয়নি নববধূর। ১৮ দিনের মাথায় স্বামীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগে থানার দ্বারস্থ হন তিনি। শুক্রবার হুগলির শ্রীরামপুরের ঘটনা।
ভালবাসার সম্পর্কে থাকার সময়ে প্রথম চার বছর বেকার ছিলেন যুবক। পরে আসাম রাইফেলস্-এ চাকরি পান তিনি। চাকরির পরে পাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের কথা বলা হলে পাত্র প্রথমে রাজি হননি। মেয়ের পরিবারের দাবি এমনটাই। তবে ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রেজিস্ট্রি হয় তাঁদের। ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ে হয়। নববধূর অভিযোগ, বিয়ের দিন থেকেই চলত মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার। আরও অভিযোগ, শাশুড়ির প্ররোচনাতেই মারধর করতেন স্বামী।
শুক্রবার ফের মারধর করা হলে বধূ তাঁর বাপের বাড়ির পরিজনদের নিয়ে শ্রীরামপুর থানায় আসেন। সঙ্গে ছিল চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজও। স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে দায়ের করেন অভিযোগ।
চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি হাতে অভিযোগকারিনী। —নিজস্ব চিত্র।
অভিযোগকারিনীর দাবি, রেজিস্ট্রির পরে স্বামী তাঁকে ঘরে তুলতে অস্বীকার করায় তিনি ডিভোর্স চেয়ে মামলা করেছিলেন। পরে মিটমাট হলে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ে হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, ‘‘মায়ের কথাতেই চলে ছেলে।’’ আরও অভিযোগ, স্বামী কোন জায়গায় কর্মরত তা-ও জানাতে অস্বীকার করেছিলেন। বিয়ের রাত থেকেই অশ্রাব্য কথা ও মারধর শুরু হয়েছিল। শুক্রবার সকালে ফের মারধর করা হলে থানার দ্বারস্থ হন তিনি।