Convicted

মদের টাকা চেয়ে চলত অত্যাচার! বধূর আত্মহত্যায় স্বামীকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিল চুঁচুড়ার আদালত

২০২০ সালের ১৩ জুলাই লক্ষ্মী রায়ের দেহ পাওয়া যায় তাঁর শ্বশুরবাড়ি থেকে কিছুটা দূরে। ঘটনার খবর পেয়ে তাঁর বাপের বাড়ির লোকজন সেখানে যান। বধূর দাদা ঝন্টু রায় অভিযোগ করেন, তাঁর বোনকে বিয়ের পর থেকে মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার করা হত।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৩৫
Share:

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

মদ খাওয়ার টাকা চেয়ে স্ত্রীর উপর চলত অত্যাচার। নির্যাতন সহ্য করতে না-পেরে আত্মহত্যা করেছিলেন বধূ। ওই ঘটনায় দশ বছর জেল হল স্বামীর। চুঁচুড়ার ফার্স্ট ট্রাক কোর্ট বৃহস্পতিবার এই সাজা ঘোষণা করে।

Advertisement

২০২০ সালের ১৩ জুলাই লক্ষ্মী রায়ের দেহ পাওয়া যায় তাঁর শ্বশুরবাড়ি থেকে কিছুটা দূরে। ঘটনার খবর পেয়ে তাঁর বাপের বাড়ির লোকজন সেখানে যান। বধূর দাদা ঝন্টু রায় অভিযোগ করেন, তাঁর বোনকে বিয়ের পর থেকে মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার করা হত। বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দেওয়া হত। মদ খাওয়ার জন্য টাকা চাইতেন স্বামী। বোনের কাছে সব জেনে কয়েক বার টাকা দিয়েছিলেন ঝন্টু। তার পরও অত্যাচার চলতে থাকে। তিনি জানান, ১৫ বছর আগে পান্ডুয়ার তিন্না রায় পাড়ার বাসিন্দা সনাতনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল পূর্ব বর্ধমান কালনা ইছাপুর ডহরকুলির বাসিন্দা লক্ষ্মীর। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে।

সরকারি আইনজীবী সুব্রত ভট্টাচার্য আদাতে জানান, মদ খাওয়ার জন্য টাকা চেয়ে স্ত্রীর উপর অত্যাচার করতেন সনাতন। সহ্য করতে না পেরে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন তাঁর স্ত্রী। ঘটনার দিন সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ ছিলেন লক্ষ্মী। পরে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে পুকুর পারে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। মৃতের দাদা ঝন্টু পান্ডুয়া থানা অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নামে।

Advertisement

অভিযুক্ত সনাতনের বিরুদ্ধে ৪৯৮/এ এবং ৩০৬ ধারায় মামলা রুজু করে। চুঁচুড়ার ফার্স্ট ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক পীযূষকান্তি রায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন। বৃহস্পতিবার সাজা ঘোষণা করে আদালত। ৪৯৮/এ ধারায় তিন বছরের জেল পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের জেল হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement