Death Case

লিলুয়ার নেশামুক্তি কেন্দ্রে ‘মারধরে’ মৃত্যু যুবকের

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম মাধব সরকার (৩৫)। তাঁর বাড়ি লিলুয়ার আনন্দনগরের ঝাউতলায়। ওই যুবকের পরিবারেরঅভিযোগ, তাঁকে পাইপ ও বেল্ট দিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ এক ব্যক্তিকেআটক করেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৩৮
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

নেশামুক্তি কেন্দ্রে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছডিয়েছে লিলুয়ার জগদীশপুরে।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম মাধব সরকার (৩৫)। তাঁর বাড়ি লিলুয়ার আনন্দনগরের ঝাউতলায়। ওই যুবকের পরিবারেরঅভিযোগ, তাঁকে পাইপ ও বেল্ট দিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ এক ব্যক্তিকেআটক করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার সকালে ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রের একটি ঘরে তাঁকেমৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মৃতের শরীরে একাধিক জায়গায় ক্ষতচিহ্ন দেখে পুলিশের প্রাথমিক ভাবে অনুমান, ওই যুবককে বেধড়কমারধর করা হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পরেই এ দিন সকালে ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রের সামনে মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যেরা ও পাড়ার লোকজন উপস্থিতহন। এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েপড়ে। যুবকের মৃত্যু ও এলাকায় উত্তেজনার খবর পেয়ে লিলুয়া থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাদকাসক্ত ওই যুবককেতাঁর পরিবারের লোকজন গত২৩ মার্চ ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি করে দিয়ে আসেন। যুবকের স্ত্রী ঝুমা সরকার বলেন, ‘‘আমারস্বামীকে নেশামুক্তি কেন্দ্রের অন্য এক যুবক পিটিয়ে মেরেছে। ওঁর সঙ্গেথাকা অন্য রোগীরা দোতলার জানলা থেকে চিৎকার করে জানিয়েছেনসে কথা।’’

ঝুমার আরও অভিযোগ, মাধবকে দু’দিন ধরে বেধড়ক মারধর করারপরে খেতে না দিয়ে ফেলে রাখা হয়েছিল। নেশামুক্তি কেন্দ্রেথাকা অন্যান্যরা অভিযোগ করেন, ওই কেন্দ্রে তাঁদের উপরে মারধরকরা হয়। ঠিক মতো ওষুধ দেওয়া হয় না, এমনকি খেতেও ঠিক মতো দেওয়া হয় না। মৃতের স্ত্রীরআরও অভিযোগ, ‘‘যে ছেলেটি আমার স্বামীকে বেল্ট ও পাইপদিয়ে পিটিয়ে মেরেছে, সে-ইআমাকে সকালে ফোন করে আধার কার্ড নিয়ে নেশামুক্তি কেন্দ্রে আসতে বলেছিল।’’

ওই কেন্দ্রের উত্তপ্ত পরিস্থিতির খবর পেয়ে তা সামাল দিতে ঘটনাস্থলে লিলুয়া থানারবিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যায়। এই প্রসঙ্গে হাওড়া সিটি পুলিশের এক আধিকারিকজানান, যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন