অনিচ্ছাকৃত খুনের দায়ে ৩ বছর কারাদণ্ড

বন্ধুকে অনিচ্ছাকৃতভাবে খুনের দায়ে এক যুবককে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিলেন বিচারক। বুধবার আমতা আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক শ্যামল কুমার রায়চৌধুরী আমতার মানকুরার বাসিন্দা অষ্ট হাঙ্গির বিরুদ্ধে এই রায় দেন। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটে ২০০৮ সালের ১৯ অক্টোবর। ক্যারম খেলা নিয়ে গোলমালের জেরে অষ্ট তার বন্ধু সুশান্ত হাঙ্গিরকে মারধর করেছিল। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে সুশান্ত মারা যান।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০০:৩৫
Share:

বন্ধুকে অনিচ্ছাকৃতভাবে খুনের দায়ে এক যুবককে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিলেন বিচারক। বুধবার আমতা আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক শ্যামল কুমার রায়চৌধুরী আমতার মানকুরার বাসিন্দা অষ্ট হাঙ্গির বিরুদ্ধে এই রায় দেন। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটে ২০০৮ সালের ১৯ অক্টোবর। ক্যারম খেলা নিয়ে গোলমালের জেরে অষ্ট তার বন্ধু সুশান্ত হাঙ্গিরকে মারধর করেছিল। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে সুশান্ত মারা যান।

Advertisement

সরকারি আইনজীবী সিদ্ধার্থ মজুমদার জানান, বিচারক তিন বছরের কারাদণ্ড ছাডা়ও ২০ হাজার জরিমানা করেছেন।জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন বিকেল তিনটে নাগাদ জয়দেব সাঁতরা, রাজু দলুই, অষ্ট হাঙ্গি ও পুলক দলুই ক্যারাম খেলছিলেন। পরে সেখানে আসে সুশান্ত। অভিযোগ, সুশান্ত মদ্যপ অবস্থায় এসে গণ্ডগোল শুরু করে। সকলে তাকে বারণ করে। কিন্তু সে কারও কথা শোনেনি বলে অভিযোগ। সুশান্তর সঙ্গে অষ্টর বচসা বেধে যায়। বচসার জেরে অষ্ট সুশান্তর উপরে চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। মারের চোটে সুশান্ত মাটিতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। ঘটনার পরে অন্যরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন প্রথমে সুশান্তকে আমতা হাসপাতালে নিয়ে যান। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় পরে তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। এর পর সুশান্তর দাদা সঞ্জয় হাঙ্গির পরদিন আমতা থানায় অষ্টর বিরুদ্ধ ভাইকে খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। ২২ অক্টোবর পুলিশ অষ্টকে গ্রেফতার করে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement