বালক খুনে যুবকের আট বছর কারাদণ্ড

এক বালকের থেকে মদ খাওয়ার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পরে ছেলেটি তা ফেরত চাওয়ায় তাকে আছাড় মেরে ফেলে এক যুবক। অনিচ্ছাকৃত খুনের দায়ে ওই যুবকের ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দিলেন বিচারক। বৃহস্পতিবার চুঁচুড়া আদালতের ফার্স্ট ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক চৌধুরী হেফাজত করিম পান্ডুয়ার মটুকপুরের বাসিন্দা তপন ভূমিচকে ওই সাজা দেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ অগস্ট ২০১৫ ০১:৪৫
Share:

এক বালকের থেকে মদ খাওয়ার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পরে ছেলেটি তা ফেরত চাওয়ায় তাকে আছাড় মেরে ফেলে এক যুবক। অনিচ্ছাকৃত খুনের দায়ে ওই যুবকের ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দিলেন বিচারক। বৃহস্পতিবার চুঁচুড়া আদালতের ফার্স্ট ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক চৌধুরী হেফাজত করিম পান্ডুয়ার মটুকপুরের বাসিন্দা তপন ভূমিচকে ওই সাজা দেন।

Advertisement

সরকারি আইনজীবী ভাস্করপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর সকালে মটুকপুরের বাসিন্দা, ১২ বছরের সুকুর আলি রেশন আনতে যাচ্ছিল। গ্রামেরই বাসিন্দা তপন মদ খাবে বলে তার কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেয়। সুকুর টাকা ফেরত চাওয়ায় রাগে তপন তাকে আছাড় মারে। সুকুর অজ্ঞান হয়ে গেলে তার বুকে পেটে লাথিও মারে তপন। চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের দিদি রাখী বিবির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে তপনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে সে জামিনে ছাড়া পায়। বুধবার অনিচ্ছাকৃত খুনের দায়ে তপনকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন বিচারক। এ দিন সাজা ঘোষণার আগে আসামীপক্ষের আইনজীবী বিচারককে বলেন, তপনের আড়াই বছরের একটি সন্তান আছে। তপনের উপরেই তার স্ত্রী-সন্তান নির্ভরশীল। সাজা ঘোষণার সময় বিচারক যেন বিষয়টি মাথায় রাখেন। সরকারি আইনজীবী অবশ্য আসামীর সর্বোচ্চ সাজা অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পক্ষে সওয়াল করেন। শেষ পর্যন্ত বিচারক ঘোষণা করেন, সব দিক বিবেচনা করে তিনি আসামীর ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিচ্ছেন। এর পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও তা অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাবাসের নির্দেশ দেন তিনি।

এ দিন রায় শুনে সরকার পক্ষের আইনজীবী অবশ্য সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তিনি জানিয়েছেন, আসামীর সর্বোচ্চ সাজার জন্য ঊর্ধ্বতন আদালতে আবেদন জানানো হবে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement