—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
সদ্য বিধানসভা ভোটের নিরিখে একাধিক পঞ্চায়েত তৃণমূলের হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা। সদ্য হয়ে যাওয়া বিধানসভার ফল পর্যালোচনা করে দেখা গিয়েছে, তৃণমূলের জেতা অধিকাংশ আসনে বিজেপি জয়লাভ করেছে। বলা যায়, বেশ কিছু পঞ্চায়েত বিধানসভার ফল অনুযায়ী কার্যত বিজেপির দখলে। করিমপুর বিধানসভায় মোট ১৪টি পঞ্চায়েত। তার মধ্যে করিমপুর ১ ব্লকে আটটি, আর করিমপুর ২ ব্লকের ছয়টি। পঞ্চায়েতের ফলাফল অনুযায়ী করিমপুর ১ ব্লকের আটটি পঞ্চায়েতের মধ্যে শুধুমাত্র হোগলবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত ছাড়া বাকি সাতটি পঞ্চায়েত তৃণমূলের দখলে। সদ্য ভোটের ফল অনুযায়ী শুধুমাত্র পিপুলবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত ছাড়া বাকি সব পঞ্চায়েতগুলির বুথভিত্তিক হিসাব করলে সবই এখন বিজেপির।
অন্য দিকে, করিমপুর ২ ব্লকের সংখ্যালঘু এলাকায় ধোড়াদহ ১ ও ২ এবং নতিডাঙ্গা ১ ও ২ এই চারটি পঞ্চায়েতের ফলাফল অপরিবর্তিত রয়েছে। আর রহমতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে এলাকায় বিগত পঞ্চায়েতের ভোটে বিজেপি মোটামুটি ভাবে ভাল ফল করলেও তৃণমূল পঞ্চায়েত দখল করে নেয়। এ বারে দুয়েকটি আসন ছাড়া এই পঞ্চায়েতের সব আসনেই বিজেপি ভাল ফল করেছে। আর মুরুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত আগে থেকেই বিজেপি বোর্ড গঠন করেছিল। সেখানেও দু’টি আসন ছাড়া সবকটি আসনে বিজেপির জয়জয়কার। বিধানসভা ভোটের আগে করিমপুর বিধানসভায় ১৪টি পঞ্চায়েতের মধ্যে তৃণমূল ১২টিতে এগিয়েছিল তৃণমূল। এ বারে বিধানসভা ভোটের ফলে তা গিয়ে দাঁড়াল বিজেপি ৯, তৃণমূল ৫-এ।
সিপিএমের করিমপুর ২ এরিয়া কমিটির সম্পাদক লিয়াকত হোসেনের অভিযোগ, স্বচ্ছ নিরপেক্ষ পঞ্চায়েত ভোট হলে একটি পঞ্চায়েত তৃণমূল পেত না। গায়ের জোরে ওরা আমাদের বেশ কিছু সদস্যর জয়ী শংসাপত্র ছিড়ে তৃণমূলের প্রার্থীদের জয়ী করেছিল। তবে ভোটের ফলাফল প্রসঙ্গে তৃণমূলের করিমপুর ২ ব্লক সভাপতি সৌমেন বিশ্বাস বলেন, ‘‘একটা পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে পঞ্চায়েত গঠন হয়েছে। সবাইকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া উচিত।’’ বিজেপির মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি সুরজিৎ জোয়ারদারের বক্তব্য, ‘‘ফল যতই উল্টে যাক, গায়ের জোরে পঞ্চায়েত দখল করা বিজেপির বিধানে নেই। আমরা প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়েই উন্নয়ন করতে পঞ্চায়েতগুলি সাজানোর চেষ্টা করব।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে