dinesh trivedi

সড়কপথে ঢাকায় বাংলাদেশের নতুন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ, নিজে ট্রলি ঠেলে কাগজ দেখিয়ে ঢুকলেন ও পারে

দীনেশ কলকাতা থেকে বিমানে ঢাকা যাননি। তিনি কলকাতা থেকে প্রথমে উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল সীমান্তে যান। সেখান থেকে বাংলাদেশের বেনাপোল সীমান্তে পাসপোর্ট, ভিসা-সহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০২৬ ১৯:৪৯
Share:

দীনেশ ত্রিবেদী। —ফাইল চিত্র।

হাতে ট্রলি ব্যাগ। সঙ্গী স্ত্রী। আকাশপথে নয়, সড়কপথে ঢাকা গেলেন বাংলাদেশের ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী। শুক্রবার দুপুরে তিনি বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।

Advertisement

প্রণয় বর্মার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন দীনেশ। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশই প্রথম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যাঁকে রাষ্ট্রদূত করা হয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কংগ্রেস, জনতা দল, তৃণমূল থেকে বিজেপির মতো দলে থেকে রাজনীতি করেছেন তিনি। শুক্রবার স্ত্রী মিনাল ত্রিবেদীকে নিয়ে ঢাকার মাটিতে পা রেখে বাংলাদেশে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘‘এখানে এসে খুবই ভাল লাগছে। ভারত ও বাংলাদেশ দুই উন্নত গণতান্ত্রিক দেশ। এই দুই গণতন্ত্র একত্রে কাজ করলে গোটা পৃথিবীর কাছে তা দৃষ্টান্তমূলক হয়ে উঠবে।’’ ১৯৯৪ ব্যাচের আইএফএস অফিসার আরও বলেন, ‘‘শুধু একটি শক্তি যথেষ্ট হবে না। উভয় দেশ একত্রিত হলে যে শক্তি উৎপন্ন হয়, সেটাই প্রকৃত শক্তি। সমগ্র বিশ্ব সেই শক্তি দেখুক।’’

‘তাৎপর্যপূর্ণ’ হল দীনেশ কলকাতা থেকে বিমানে ঢাকা যাননি। তিনি কলকাতা থেকে প্রথমে উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল সীমান্তে যান। সেখান থেকে বাংলাদেশের বেনাপোল সীমান্তে পাসপোর্ট, ভিসা-সহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন।

Advertisement

২০২০ সালে ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত বিক্রম দোরাইস্বামী আখাউড়া-আগরতলা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। কারণ, করোনা পরিস্থিতিতে বিমান পরিষেবা বন্ধ ছিল। দীনেশের সিদ্ধান্তের নেপথ্যে বেশ কিছু দিক রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রথমত, দুই দেশের সড়কপথে পরিকাঠামোর উন্নয়নের বিষয়টি তুলে ধরতে চাওয়া হয়েছে। তা ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে হোল্ডিং সেন্টারে রেখে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে ৷ অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চাপানউতরের মধ্যে সীমান্তে নথিপত্র দেখিয়ে দীনেশের বাংলাদেশে পা রাখার সিদ্ধান্তের নেপথ্যেও বৈধ উপায়ে এক দেশের নাগরিকের আর এক দেশে প্রবেশ করতে হয়, এই বার্তাও দিলেন নতুন রাষ্ট্রদূত।

বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় দীনেশ বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উভয় দেশের প্রতিভা এবং সম্পদকে কাজে লাগিয়ে খেলাধুলো, স্বাস্থ্য এবং প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশের একসঙ্গে কাজ করা উচিত।


আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement