Cyber Fraud Case

ভুয়ো ওয়েবসাইট খুলে হোটেল বুক করার ফাঁদ, টাকা গেল লেখকের

হিমি জানিয়েছেন, আগামী মাসে দোলের সময়ে সপরিবার পুরী যাবেন বলে তিনি সম্প্রতি ইন্টারনেট ঘেঁটে হোটেলের সন্ধান করছিলেন। বেশ কয়েকটি হোটেলের ছবি দেখার পরে তাঁদের একটি হোটেল পছন্দ হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫১
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

পুরীতে হোটেল বুক করতে গিয়ে সাইবার প্রতারকদের খপ্পরে পড়ে এর আগে অনেকেই টাকা খুইয়েছেন। ফের পুরীতেই হোটেল বুক করতে গিয়ে সাইবার জালিয়াতদের কবলে পড়ে টাকা খোয়ালেন ঢাকুরিয়ার বাসিন্দা হিমি মিত্র রায়। তিনি পেশায় লেখক।

হিমি জানিয়েছেন, আগামী মাসে দোলের সময়ে সপরিবার পুরী যাবেন বলে তিনি সম্প্রতি ইন্টারনেট ঘেঁটে হোটেলের সন্ধান করছিলেন। বেশ কয়েকটি হোটেলের ছবি দেখার পরে তাঁদের একটি হোটেল পছন্দ হয়। ওই হোটেলের বুকিং নম্বর দেখে সেখানে ফোন করেন হিমি। হোটেলের ম্যানেজার বলে পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি তাঁকে বলেন, দোলের সময়ে প্রায় সব ঘরই ভর্তি। একটি মাত্র ঘর ফাঁকা রয়েছে। বুক করতে হলে এখনই করতে হবে। এর জন্য অগ্রিম বাবদ ৫০ শতাংশ টাকা দিতে হবে।

হিমি বলেন, ‘‘ওই ব্যক্তির কথা মতো অগ্রিম হিসাবে অনলাইনে ১৬৫০০ টাকা পাঠিয়ে দিই। আমরা বলেছিলাম, বুকিংয়ের স্লিপ ইমেলে পাঠাতে। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ কোনও ইমেল না আসায় আমার সন্দেহ হয়। যে নম্বরে ফোন করে ঘর বুক করেছিলাম, সেই নম্বরে আবার ফোন করে দেখি, সেটি বন্ধ। এর পরে আমরা ওই হোটেলের আর একটি ওয়েবসাইট দেখে সেখানে ফোন করতে এক আধিকারিক জানান, কোনও ঘর বুক করা হয়নি। বুঝতে পারি, প্রতারকদের খপ্পরে পড়েছি।’’

এর পরেই হিমি লালবাজারে সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বলেন, ‘‘ওই হোটেলটি বুক করার সময়ে ওয়েবসাইটে দেওয়া ছবি থেকে শুরু করে যে সব তথ্য দেওয়া ছিল, তা দেখে ঘুণাক্ষরেও বোঝার উপায় ছিল না যে, ওয়েবসাইটটি ভুয়ো। এর আগেও এ ভাবে বহু বার হোটেল বুক করেছি। কখনও এমন হয়নি।’’

সাইবার বিশেষজ্ঞ সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, ‘‘অনলাইনে হোটেল বুক করতে হলে প্রথমে যাচাই করে নিতে হবে, ওয়েবসাইটটি আসল কিনা। ওয়েটসাইটের লিঙ্ক আলাদা করে দিয়ে জানতে হবে, সেটি কবে নথিভুক্ত (রেজিস্টার্ড) হয়েছে। যদি দেখা যায় লিঙ্কটি নতুন, গত ছ’মাসের মধ্যে নথিভুক্ত হয়েছে, সে ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটটি নকল হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। এ ছাড়া, টাকা দেওয়ার সময়ে যদি কিউআর কোডে পাঠাতে হয়, তা হলে দেখে নিতে হবে, সেই টাকা কোনও ব্যক্তি না কি হোটেল, কার নামে যাচ্ছে। যদি দেখা যায়, টাকা যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামে, সে ক্ষেত্রেও কিন্তু প্রতারণার কবলে পড়ার আশঙ্কা থেকে যায়।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন