Mob Lynching

মৃত্যু গণপিটুনিতে জখম যুবকের, খুনের ধারা দেওয়ার পথে পুলিশ

পুলিশ প্রথমে চার জনকে গ্রেফতার করে খুনের চেষ্টা-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তশুরু করেছিল। এ বার পুলিশ খুনের ধারা যুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন জানাবে বলে লালবাজারের দাবি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জুন ২০২৫ ০৭:২৮
Share:

মৃতের নাম মহম্মদ সিকন্দর আজ়ম। —প্রতীকী চিত্র।

কড়েয়ায় মোবাইল চোর সন্দেহে গণপিটুনির শিকার সেই যুবকের মৃত্যু হল হাসপাতালে। মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মহম্মদ সিকন্দর আজ়ম। এই ঘটনায় পুলিশ প্রথমে চার জনকে গ্রেফতার করে খুনের চেষ্টা-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তশুরু করেছিল। এ বার পুলিশ এই মামলায় খুনের ধারা যুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন জানাবে বলে লালবাজারের দাবি।

পুলিশ সূত্রের খবর, সিকন্দরের বাড়ি কড়েয়ার মসজিদবাড়ি লেনে। পেশায় রিকশাচালক ওই ব্যক্তিকে গত ১৫ জুন কড়েয়ার২৫ নম্বর খাটাল নামে এক জায়গায় নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর পরিবারের দাবি, এর পরের দু’দিনও সিকন্দরকে মারধর করা হয়। শেষে ১৮ জুন তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানোহয়। পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৯(১) (খুনের চেষ্টা), ১২৭(২) (জোর করে আটকে রাখা) এবং ৩(৫) ধারায় (সম্মিলিত অপরাধ) মামলা রুজু করে। গ্রেফতার করা হয় জাহিদ হোসেন, মনোয়ারা হোসেন ওরফে রকি, সাহিল আলি, বিকাশ রাউথ নামে চার জনকে। সিকন্দর ও ধৃতেরা পূর্ব-পরিচিত বলে প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে পুলিশ। সাহিলের মোবাইল হারিয়ে গেলে চোর সন্দেহে সিকন্দরকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

পুলিশ জানিয়েছে, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হলেও সিকন্দরের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে তপসিয়ার একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই সোমবার তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশের দাবি, সিকন্দরের ডান পায়ে গভীর ক্ষত ছিল। যা ড্রিল যন্ত্র দিয়ে করা হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। এ ছাড়া, মস্তিষ্কের সামনের অংশে এবং‌ হাতেও গুরুতর চোট ছিল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন