Abhishek Banerjee Motor Vehicles Act

গাড়ির ধারে কেন ঝুলছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা? পুলিশকে নথি পাঠালেন অভিষেক, তবে আরও নথি চাইতে পারে কালীঘাট থানা

অভিষেকের গাড়ির দরজার পাশ থেকে তাঁর নিরাপত্তারক্ষীদের বিপজ্জনক ভাবে ঝুলতে দেখা গিয়েছিল। অভিযোগ, এতে ওই নিরাপত্তারক্ষীদের তো বটেই, সাধারণ মানুষের জীবনও বিপন্ন হতে পারে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬ ১৪:৫৮
Share:

(বাঁ দিকে) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যস্ত রাস্তায় তাঁর গাড়ির পাশে নিরাপত্তারক্ষীরা (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

মোটর ভেহিকল বা মোটরযান আইন লঙ্ঘনের মামলায় কালীঘাট থানায় নথি পাঠালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের কাছ থেকে বেশ কিছু নথি চেয়ে পাঠিয়েছিল পুলিশ। রবিবার তাঁর প্রতিনিধি থানায় গিয়ে নথি জমা দিয়ে এসেছেন। তবে সূত্রের খবর, নথি অসম্পূর্ণ। যা যা চাওয়া হয়েছিল, সব দেওয়া হয়নি। তাই অভিষেককে ফের নোটিস পাঠানো হতে পারে।

Advertisement

অভিষেকের গাড়ির দরজার পাশ থেকে তাঁর নিরাপত্তারক্ষীদের বিপজ্জনক ভাবে ঝুলতে দেখা গিয়েছিল। অভিযোগ, এতে ওই নিরাপত্তারক্ষীদের তো বটেই, সাধারণ মানুষের জীবনও বিপন্ন হতে পারে। এই ধরনের যাতায়াতে পথদুর্ঘটনার সম্ভাবনাও বেশি। অভিষেক মোটরযান আইন ভঙ্গ করেছেন বলে দাবি করে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার কালীঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পুলিশ তার ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করে।

অভিষেকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তাঁর ওই গাড়িটি কবে কেনা হয়েছে, গাড়ির চালক কে, চালকের নাম-ঠিকানা এবং যোগাযোগের নম্বর কী। তা ছাড়া, তাঁর গাড়ির পাদানিতে যাঁদের ঝুলতে দেখা গিয়েছে, তাঁদের পরিচয়ও জানতে চেয়েছিল পুলিশ। সূত্রের খবর, অভিষেকের ওই নিরাপত্তারক্ষীরা বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাঁদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ রয়েছে কি না, তা-ও জানতে চেয়েছে পুলিশ। রবিবার থানায় নিজের লেটারহেডেই চিঠি দিয়েছেন সাংসদ। তবে যা যা চাওয়া হয়েছিল, সব নথি পাঠানো হয়নি বলে অভিযোগ। পুলিশ নথি চেয়ে অভিষেককে ফের নোটিস দিতে পারে।

Advertisement

অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগে ১৯৮৮ সালের মোটরযান আইনের ১২৩ এবং ১৮৪ নম্বর ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর বক্তব্য, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে এ ভাবে আইনের ব্যতিক্রম গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। শনিবারের মধ্যেই অভিষেককে নথি জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পুলিশ নথি পায়নি। সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরে থানায় নথি পাঠালেন সাংসদ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement