Kolkata Karcha

কলকাতার কড়চা: দুই শহরের বিষাদগাথা

দর্শক কখনও দাঁড়ান অতুলপ্রসাদ সেন বা রাজা দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতির সামনে, উন্মোচিত হয় তাঁদের লখনউ-বাসের পটভূমি।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:১৫
Share:

এ শহরে বিরিয়ানির জন্য বিখ্যাত তাঁর রেস্তরাঁয় লখনউ ঘরানার বিশুদ্ধতা বজায় রাখতে আজও বিরিয়ানিতে আলু দেন না ইরফান সাহেব। অথচ লখনউ গেলেই তাঁকে শুনতে হয়, ওই যে, কলকাতাওয়ালা এসে গেছেন! কলকাতা ও লখনউয়ের সেতুবন্ধ এমন নানা মানুষ ও ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করছেন সৌম্যদীপ রায়। এমনিতে সাহিত্যের ছাত্র, ধ্রুপদ ও সিনেমা নিয়েও উৎসাহী, চিত্রকলায় স্বশিক্ষিত। নবাবি ঐতিহ্যের মধ্যে জেগে থাকা শিল্পের নানা উপাদান সংরক্ষণে তাঁর বিশেষ আগ্রহ, তা-ই উঠে এসেছিল দমদম স্টেশন সংলগ্ন ‘স্টুডিয়োবাড়ি কলকাতা’র প্রদর্শনীতে: ‘শাহরাশব— লেটারস বিটুইন লখনউ অ্যান্ড ক্যালকাটা’।

প্রতিটি ছবি, ভাস্কর্য তথা প্রদর্শ যেন এক-একটা গল্প বহতা। দর্শক কখনও দাঁড়ান অতুলপ্রসাদ সেন বা রাজা দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতির সামনে, উন্মোচিত হয় তাঁদের লখনউ-বাসের পটভূমি। উঠে আসে সেই ধাতু খোদাই শিল্পালয়ের কথা, যেখানে কাজ করতেন অসিতকুমার হালদার; পরবর্তী কালে লখনউ আর্ট স্কুলের অধ্যক্ষ থাকাকালীন ছাত্রদের নিয়ে আসতেন কাজ শেখাতে। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭১তম জন্মদিনে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের তরফে পদ্যের আকারে পাঠানো ‘প্রণামী’টি দুই শহরের শিল্প-ঐতিহ্যকে মিলিয়ে দেয়। লখনউয়ের বাঙালিদের সরস্বতী পুজোর ঝাপসা হয়ে আসা স্মৃতি মনে করিয়ে দেয় সে শহরে বাঙালি অভিবাসনের ইতিহাস। লখনউয়ে মামাবাড়ি গিয়ে মা’কে লেখা সদ্যযুবক সত্যজিৎ রায়ের চিঠির সূত্রও আর এক সংযোগ।

ওয়াজিদ আলি শাহকে (ছবি) এড়িয়ে এই সংযোগ অসম্পূর্ণ। প্রদর্শনীকে একসূত্রে গেঁথে রেখেছেন খোদ ‘আখতার-পিয়া’। বেগম খাস-মহলের সঙ্গে তাঁর কাব্যিক বিনিময়, দুই বিশ্বস্ত অনুচর মাম্মু খান ও দায়ানুদ্দৌলার জীবনকথার মধ্য দিয়ে জীবন্ত হয়ে ওঠে ‘নবাবি’ আমল। দেখা মেলে মেটিয়াবুরুজের শাহি পানওয়ালা রমেশকুমার সাইনির, পেশায় হোমিয়োপ্যাথি চিকিৎসক হওয়া সত্ত্বেও সযত্নে সামলাচ্ছেন পূর্বজর পানের দোকান— তাঁদের এ শহরে আসার আদি উদ্দেশ্যই ছিল নবাবকে পান জোগানো! দুই শহরের ‘না-মানুষী’ সংযোগও ধরা প্রদর্শনীতে: নবাবি রাজপ্রতীকের জোড়া-মাছ থেকে চিড়িয়াখানার পশুপাখি, বসন্তের ঘোষক পলাশফুল। নিজস্ব শৈলীতে আঁকা লাইন ড্রয়িংয়ে: কখনও ছোট কার্ড আকারে, কখনও বিশাল ক্যানভাসে। ছিল আতশকাচ দিয়ে দেখার সূক্ষ্ম মিনিয়েচার ছবিও, বাড়তি প্রাপ্তি রং ও সরঞ্জামের নমুনা। প্রদর্শনীর অনুষঙ্গেই ছিল লখনউ-শাহজাহানপুর ঘরানার উস্তাদ ইরফান মহম্মদ খানের সরোদবাদন, প্রজ্ঞা দাসের কত্থক নৃত্য। গ্রামোফোন রেকর্ডের গান ও ছায়াছবির দৃশ্যের মাধ্যমে নবাবি লখনউয়ের সঙ্গে দর্শকদের পরিচয়; ছিল আলোচনা, মেটিয়াবুরুজ সফরও।

২৫ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া প্রদর্শনী শেষ হল গত ২০ জানুয়ারি। শিরোনামে ব্যবহৃত ‘শাহরাশব’ শব্দটি মূলত আঠারো শতকের উর্দু-ফারসি সাহিত্যের এক বিশেষ আঙ্গিক, বিষাদ প্রকাশে যার ব্যবহার। এই প্রদর্শনীও এক স্বর্ণালি সময়ের স্মৃতিচারণ করতে বসা দুই শহরের নীরব বিষাদগাথা। কলকাতা পর্ব শেষ করে প্রদর্শনী পাড়ি দিল লখনউ।

মানবতন্ত্রী

“আমি নাস্তিক, প্রকৃতিবাদী এবং মানবতন্ত্রী,” বলতেন শিবনারায়ণ রায় (ছবি)। রাডিক্যাল হিউম‍্যানিজ়ম-চিন্তার ভগীরথ মানবেন্দ্রনাথ রায়ের সংস্পর্শে এসে, ভক্তিকে সরিয়ে যুক্তির কঠিন ভিতে দাঁড়িয়ে তাঁর মনে হয়েছিল, কর্মবাদ ও জন্মান্তরবাদ-সহ হিন্দুসমাজের নানা সংস্কার ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী আন্দোলন গড়ে তোলা চাই। মার্ক্সবাদকেও ত‍্যাগ করে উন্নীত হন নবমানবতাবাদে; চিন্তায় কাজে লেখালিখিতে তারই নিরন্তর অন্বেষণ করেছেন জিজ্ঞাসা পত্রিকার এই প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক, হয়ে উঠেছিলেন বঙ্গীয় রেনেসাঁসের আলোকবর্তিকা। তাঁর ১০৬তম জন্মবর্ষে ‘শিবনারায়ণ রায় স্মারক বক্তৃতা’র আয়োজন হয়েছে বইমেলা প্রাঙ্গণে প্রেস কর্নারে, আজ বিকেল সাড়ে ৪টায়। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অধ‍্যাপক নির্মাল‍্য নারায়ণ চক্রবর্তী বলবেন ‘দর্শনের সংলাপ, সংলাপের দর্শন’ নিয়ে। প্রকাশিত হবে জিজ্ঞাসা-র বিশেষ সংখ‍্যা ‘সার্ধশতজন্মবর্ষে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়’, কয়েকটি বইও।

ইতিহাস স্মরণে

ভারতের জাতীয় গীত ‘বন্দে মাতরম্‌’, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লেখেন ১৮৭৪-এ। ১৮৮০-৮১ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত আনন্দমঠ উপন্যাসে ব্যবহৃত হয় গানটি। আবার ১৮৯৬-এ জাতীয় কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে রবীন্দ্রনাথ নিজস্ব সুরে দেশ রাগে গাইলেন সেই গান। বন্দে মাতরম্‌ হয়ে ওঠে স্বাধীনতার লড়াইয়ের অমোঘ স্লোগানও। সার্ধশতবর্ষ-উত্তীর্ণ এই ঐতিহাসিক সৃষ্টিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ ও সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি তাদের বার্ষিক ক্যালেন্ডার, কফি টেবল বুক ও নোটবুকে তুলে ধরেছে পরাধীন ও স্বাধীনতা-উত্তর ভারতে এ গানের গুরুত্ব। বিরল নথি, ছবি, তথ্যে সমৃদ্ধ।

সুরবিশ্ব

বাংলার সঙ্গে ভারত ও বিশ্বের সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের সমন্বয় সাধনে কাজ করে চলেছে শিল্পচর্চা-প্রতিষ্ঠান বাংলা নাটক ডট কম। তাদের আয়োজনে প্রতি বছর বিশ্ব সঙ্গীতের আসর ‘সুর জাহাঁ’-র অপেক্ষায় থাকে এ শহর। এ বছরের উৎসব গতকাল থেকে শুরু হয়েছে গল্ফ গ্রিন সেন্ট্রাল পার্কে। লাটভিয়া, হাঙ্গেরি, ডেনমার্ক ও স্পেনের সঙ্গীতশিল্পীরা গান শোনাতে এসেছেন এ বছর; সঙ্গে থাকবে বাংলার বাউল গান, গুজরাটের সিদি গোমা সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠান ও অন্যান্য লোকগান। সলিল চৌধুরীর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে দেবজ্যোতি মিশ্রের পরিচালনায় সঙ্গীত-শ্রদ্ধার্ঘ্য ছিল গতকাল। আজ ও আগামী কাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মূল অনুষ্ঠান; সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিদেশাগত শিল্পী-দলগুলির সঙ্গে হবে কর্মশালা।

নাট্য-শ্রদ্ধা

থিয়েটারের নিখাদ আত্মজন ছিলেন মোহিত চট্টোপাধ্যায়, দল-মত নির্বিশেষে নাট্যকর্মীদের সঙ্গে ছিল তাঁর দুঃখ-সুখের বাটোয়ারা। তাঁরই সক্রিয় ইচ্ছায় গঠন ও বিকাশ ‘রঙ্গপট’ নাট্যদল ও নাট্যপত্রের। গুরুপ্রতিম মানুষটিকে তাঁরই নাটকের নব প্রযোজনায় শ্রদ্ধা জানাবে নাট্যদলের বর্তমান প্রজন্ম, সঙ্গে প্রবীণ নাট্যজনেরা। ২৬ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় অ্যাকাডেমি মঞ্চে অভিনীত হবে নোনা জল। নৈতিকতা ও মূল্যবোধের নিয়ত অবনমন স্বাভাবিক হয়ে উঠছে সমাজ রাজনীতি অর্থনীতিতে, এই আবহে দারিদ্র-বেকারত্বের জেরে এক যুবক ভেসে যায় অন্যায় ও অপরাধস্রোতে; কিন্তু চেতনাবোধ ক্রমে তাঁর জীবনে ফিরিয়ে আনে উর্বরতা ও প্রত্যয়— সেই নিয়ে নাটক, দেবদূত ঘোষের নির্দেশনায়।

মঞ্চে আবার

মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য অবলম্বনে ১৯৭৬-এ নব নালন্দা সঙ্গীত শিক্ষায়তন নির্মাণ করে নৃত্যনাট্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’। রবীন্দ্র সদন, মহাজাতি সদনে মঞ্চস্থ হয়, বিপুল সাড়া পড়ে কলকাতায়। পরিকল্পনায় ছিলেন ভারতী মিত্র, নৃত্যনাট্য নির্দেশনায় অনাদিপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, ভাষ্যপাঠে কাজী সব্যসাচী। ১৯৮৯-এ মঞ্চে ফেরে, ২০১৭-য় নব নালন্দার সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষেও; নিয়মিত না হওয়ার কারণ এর বিরাট ‘কাস্টিং’। ১ ফেব্রুয়ারি ষাট বছরে পড়ছে নব নালন্দা, ফিরছে ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ নৃত্যনাট্যও: তিনশোরও বেশি শিক্ষার্থী, স্কুলের শিক্ষক ও ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায় দেবেশ রায়চৌধুরী প্রমুখ বিশিষ্ট শিল্পীর সম্মিলনে। মেঘনাদ-প্রমীলার ভূমিকায় কৌশিক চক্রবর্তী-মধুবনী চট্টোপাধ্যায়। ২৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মধুসূদন মঞ্চে— নব নালন্দা ও নব রবিকিরণ-এর যৌথ নিবেদন।

উত্তরাধিকার

২২ জানুয়ারি থেকে অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসে শুরু হয়েছে প্রদর্শনী ‘দ্য লুমিনাস বিয়ন্ড: আ ট্রিবিউট টু জে এম ডব্লিউ টার্নার’। এই ব্রিটিশ রোম্যান্টিক চিত্রশিল্পীর সার্ধদ্বিশতবর্ষ (জন্ম ১৭৭৫) ছিল গত বছর, তার উদ্‌যাপনেই এ উদ্যোগ। টার্নারের ছবিতে ব্যবহৃত আলো, আর অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সূত্রে আধুনিক ভারতীয় শিল্পচর্চায় অনুপ্রবিষ্ট ওয়াশ পদ্ধতিতে আঁকা ছবির অন্তর্গত পরিবেশের আলো— দুইয়ের মধ্যে মেলে স্পষ্ট সংযোগসূত্র: দু’জনের সমোচ্চারিত উদ্ভাস টার্নারকে ভারতীয় শিল্পীদের নিকটবর্তী করেছে। ইন্ডিয়ান আর্ট কলেজের পনেরো জন প্রাক্তনীর চিত্রকৃতিতে (ছবি) সেজে উঠেছে প্রদর্শনী। তাঁদের ছবিতে টার্নারের ছবির স্পর্শ এসেছে নানা ভাবে: কোথাও তাঁর ছবির প্রাকৃতিক আলোর পাশে আজকের শিল্পী বসিয়েছেন আধুনিক বৈদ্যুতিন আলোকসজ্জা, তাঁর আঁকা মৃত পাখি ভিন্নমাত্রায় ধরা পড়েছে আজকের ছবিতে। শমীন্দ্রনাথ মজুমদারের কিউরেশনে প্রদর্শনী ২৯ জানুয়ারি অবধি, রোজ ১২টা-৮টা।

একটি জীবন

অল্পবয়সেই তারাসুন্দরী (ছবি) নামটি জানতেন হেমেন্দ্রকুমার রায়। তবে অভিনেত্রী নয়, সে পরিচয় কবি তারাসুন্দরীর সঙ্গে। গিরিশচন্দ্র ঘোষের সম্পাদনায় অমরেন্দ্রনাথ দত্ত সৌরভ পত্রিকা বার করতেন, তার দু’টি সংখ্যায় প্রকাশ পায় তাঁর কবিতা। পরে হেমেন্দ্রর সঙ্গে পরিচয়ে শিল্প-সাহিত্যের নানা প্রসঙ্গে তারাসুন্দরীর বিদগ্ধ অভিমত তাঁকে মুগ্ধ করে। নানা ধরনের চরিত্রে প্রাণপ্রতিষ্ঠার জন্য খ্যাত এই অভিনেত্রী ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদের কিন্নরী নাটকে পুরুষচরিত্রেও দৃপ্ত অভিনয় করেন। সমাজপ্রান্ত থেকে উঠে এসে রঙ্গমঞ্চে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা এই অভিনেত্রীর জীবন নাটকে তুলে ধরেছে ‘থিয়েটার প্লাস’। গার্গী রায়চৌধুরীর একক অভিনয়ে, উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায় তারাসুন্দরী নাটকের অভিনয় জি ডি বিড়লা সভাঘরে, আগামী ২৬ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায়।

ছোটদের জন্য

চিচিং ফাঁক শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে একটা গুহা, যার ভিতরে ঘড়া ভরা মোহর, হিরে-মানিক-চুনি-পান্না। গুপ্তধনের প্রতি ছোটদের আকর্ষণ মাথায় রেখে দ্বাদশ কলকাতা আম্তর্জাতিক শিশু কিশোর চলচ্চিত্র উৎসবের থিম গুপ্তধন। গতকাল শুরু হয়েছে নন্দনে, ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ৩২টি দেশের ১৮০টি ছবি, শহরের ৮টি প্রেক্ষাগৃহে। রয়েছে ট্রেজার আইল্যান্ড, যকের ধন-এর মতো ছবি; ফেলুদা ও জটায়ু স্মরণে উদ্বোধনী ছবি ছিল সোনার কেল্লা; তৃপ্তি মিত্র-সলিল চৌধুরী স্মরণে দেখানো হবে মানিক, মর্জিনা আবদাল্লা; সমাপ্তি-ছবি পক্ষীরাজের ডিম। বিশ্ব সিনেমা বিভাগে ১০৮টি ছবি; ছোটরা মোবাইল ক্যামেরায় তৈরি করেছে এমন ৪০টি ছবি, ছোট ছবির বিভাগে। গগনেন্দ্র প্রদর্শশালায় প্রদর্শনী; প্রতিদিন বেরোবে ছোটদের জন্য রঙিন কাগজ বায়োস্কোপের বাক্স। গত বছর ডেলিগেট হতে নাম লিখিয়েছিল প্রায় বারোশো খুদে চলচ্চিত্রপ্রেমী!

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন