Death

Death: হাসপাতালের পানাপুকুর থেকে উদ্ধার নিখোঁজ রোগীর দেহ

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, শয্যা থেকে উঠে ওই রোগী এদিক-ওদিক চলে যাচ্ছিলেন বলে পরিজনদের থাকতে বলা হয়।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ মার্চ ২০২২ ০৬:১৯
Share:

প্রতীকী ছবি।

হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন রোগী। দু’দিন পরে, হাসপাতাল চত্বরে থাকা পানাপুকুর থেকে উদ্ধার হল ওই নিখোঁজ রোগীর মৃতদেহ। রবিবার সকালে, বিষ্ণুপুর থানার আমতলা গ্রামীণ হাসপাতালে।

Advertisement

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রের খবর, শুক্রবার রাতে ওই হাসপাতাল থেকে গোপাল ঘোষ (৭০) নামে দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তি থানা এলাকার এক বাসিন্দা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়। তাঁকে বৃহস্পতিবার রাতে শ্বাসকষ্টজনিত রোগের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। পরের দিন রাতে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান বলে পরিজনদের অভিযোগ। তবে হাসপাতালের তরফে দাবি, রোগীর সঙ্গে তাঁর পরিজনেরা ছিলেন। কিন্তু কী ভাবে তিনি উধাও হয়ে গেলেন, বোঝা যাচ্ছে না। তদন্তে নেমে হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে পুলিশ। সেখানেও হাসপাতালের মূল দরজা দিয়ে রোগীকে বাইরে আসতে দেখা যায়নি।

এর পরেই হাসপাতাল চত্বরে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, শয্যা থেকে উঠে ওই রোগী এদিক-ওদিক চলে যাচ্ছিলেন বলে পরিজনদের থাকতে বলা হয়। কিন্তু শুক্রবার ভোররাতের পরে গোপালবাবুকে আর দেখা যায়নি। পুলিশ সূত্রের খবর, হাসপাতালের সুপারিশ অনুযায়ী ওই চত্বরে থাকা পানাপুকুরে রবিবার ডুবুরি নামানো হয়। ঘন্টাখানেক পরে মেলে মৃতদেহ। আপাতদৃষ্টিতে মৃতদেহে আঘাতের চিহ্ন নেই। রবিবার জেলা প্রশাসনের কর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মৃতদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। দেহ ময়না-তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

তবে গোপালবাবুর ছেলে সুরজিৎ ঘোষ অভিযোগ করছেন, ‘‘ কয়েকটা ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর থেকেই বাবা অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। আমরা কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদেরও জানিয়েছিলাম। কিন্তু তাঁরা গুরুত্ব দেয়নি।’’ হাসপাতালের দাবি, গোপালবাবুর ঠিক চিকিৎসাই করা হচ্ছিল। যদিও সুরজিবাবুর অভিযোগ, ‘‘চিকিৎসার গাফিলতিতেই হয়তো বাবা মারা গিয়েছেন। মৃতদেহ লোপাট করতে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে।’’

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা বলেন, ‘‘খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হবে।’’ ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার এক কর্তা বলেন, ‘‘ময়না-তদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে। প্রাথমিক ভাবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement