RG Kar Hospital Financial Irregularities

আরজি কর-কাণ্ডে প্রাক্তন সুপার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনে অবশেষে সায় দিল রাজ্য, বিচারে গতি ফেরার আশা

আরজি করের আর্থিক দুর্নীতির মামলায় সন্দীপকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ইডি তাদের প্রথম চার্জশিটে তাঁকে অভিযুক্ত হিসাবে উল্লেখ করে। কিন্তু চার্জ গঠন করা যাচ্ছিল না সন্দীপের বিরুদ্ধে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬ ১৮:০০
Share:

আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। —ফাইল চিত্র।

আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির মামলায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের অনুমোদন পেল ইডি। রাজ্য সরকারের প্রয়োজনীয় অনুমোদন এত দিন পাওয়া যায়নি। ফলে বিচারপ্রক্রিয়াও থমকে ছিল। এ বার তা এগোনো যাবে। বুধবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কলকাতার নগর দায়রা আদালতে সরকারের অনুমোদনের কথা জানিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৭ জুলাই।

Advertisement

আরজি করের আর্থিক দুর্নীতির মামলায় সন্দীপকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ইডি তাদের প্রথম চার্জশিটে তাঁকে অভিযুক্ত হিসাবে উল্লেখ করে। কিন্তু চার্জ গঠন করা যাচ্ছিল না সন্দীপের বিরুদ্ধে। কেউ সরকারি কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়ে বিচারপ্রক্রিয়া এগোনোর জন্য সরকারের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। সন্দীপের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য দফতরের অনুমোদন দরকার ছিল। এত দিনে তা পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগ, তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন সন্দীপের বিরুদ্ধে অনুমোদন দিচ্ছিল না রাজ্য। সরকার পরিবর্তনের পর তা পাওয়া গেল।

আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় বিচারভবনে চার্জশিট জমা দিয়েছিল ইডি। সূত্রের খবর, তাতে সন্দীপ ছাড়াও দুই ব্যবসায়ী বিপ্লব সিংহ এবং সুমন হাজরার নাম রয়েছে। উভয়েই হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আরজি করের মামলায় এটাই ইডির প্রথম চার্জশিট। এর আগে সিবিআই এই সংক্রান্ত মামলায় চার্জশিট দিয়েছিল।

Advertisement

ইডির অভিযোগ, আরজি কর হাসপাতালের অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিকাদারদের অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া বিপুল পরিমাণ টাকা পরিকল্পিত ভাবে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আত্মসাৎ করা হয়েছে ওই টাকা। ঠিকাদারদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নামে চেক লেখা হয়েছে। তা দিয়ে টাকা তোলা হয়েছে অথবা অন্য সহযোগী সংস্থায় সেই টাকা সরানো হয়েছে। পরে তা তুলে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এ ভাবেই অপরাধ আড়াল করা হয়েছে। সেই মামলাতেই সন্দীপের যোগ রয়েছে। সরকারের অনুমোদন পাওয়ার পর এই সংক্রান্ত বিচারপ্রক্রিয়ায় এ বার গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement