Shantanu Sinha Biswas and ED

শান্তনুকে পাঠাতে আর্জি! ইডির চিঠি নিরাপত্তা নির্দেশনালয়কে, পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি হয়েছিল আগেই

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগের দিন গত ২৮ এপ্রিল শান্তনুকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান। এর আগেও বেশ কয়েক বার তলব করা হয়েছিল পুলিশকর্তাকে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০২৬ ১১:৪০
Share:

শান্তনু সিংহ বিশ্বাস। —ফাইল ছবি।

কলকাতার পুলিশকর্তা শান্তনু সিংহ বিশ্বাস কোথায় এই তথ্য জানতে চেয়ে এ বার নিরাপত্তা নির্দেশনালয়কে (ডিরেক্টরেট অফ সিকিউরিটি) চিঠি দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সূত্রের খবর, শান্তনুর স্টেটাস, কোথায় ডিউটি করছেন ইত্যাদি জানতে চাওয়া হয়েছে ইডির তরফে। এক ইডি আধিকারিকের বক্তব্য, শান্তনু যাতে দফতরে হাজিরা দেন সেই কথাই বোঝাতে চাওয়া হয়েছে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, পুলিশকর্তা শান্তনুকে বেশ কয়েক বার তলব করেছিল ইডি। কিন্তু প্রতি বারই তিনি হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। বার বার তলব সত্ত্বেও পুলিশকর্তা হাজিরা না দেওয়ায় এ বার ডিরেক্টরেট অফ সিকিউরিটিকে চিঠি দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগের দিন গত ২৮ এপ্রিল শান্তনুকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল ইডি। সোনা পাপ্পু সম্পর্কিত মামলার সূত্রেই তাঁকে তলব করা হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। কিন্তু পুলিশকর্তা হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। তিনি দেশ ছাড়তে পারেন এমন আশঙ্কা করে শান্তনুর বিরুদ্ধে লুক আউট জারি করে ইডি।

Advertisement

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জের বাসিন্দা সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল, তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অস্ত্র আইনেও মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এমন বেশ কিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে ইডি। ওই মামলায় বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা। এই মামলার সূত্র ধরেই গত মাসে ফার্ন রোডে শান্তনুর বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। ভোর থেকে শুরু হয়েছিল অভিযান। শেষে রাত ২টো নাগাদ শান্তনুর বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা। ওই অভিযান চলাকালীন শান্তনুকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

তল্লাশির পরের দিনই, সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত মামলায় শান্তনু এবং তাঁর দুই পুত্র সায়ন্তন এবং মণীশকে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। সেই দিন তাঁদের কাউকে ইডির দফতরে যেতে দেখা যায়নি। এপ্রিলে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনুকে বালি পাচার মামলার তদন্তেও তলব করেছিল ইডি। তবে তিনি যাননি। পরিবর্তে শান্তনুর আইনজীবী যান ইডির দফতরে। সূত্রের খবর, অন্য কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে শান্তনু সময় চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement