KMC found an alternative to dumping

ধাপার বিকল্প খুঁজে পেল পুরসভা, বাসন্তী হাইওয়ের ধারে গড়ে উঠছে আধুনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্প

২০১১ সালের পর ধাপা সংলগ্ন এলাকায় মাত্র ১০ হেক্টর জমি কেনা সম্ভব হয়েছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রসপুঞ্জ এলাকাতেও জমি দেখা হলেও নানা কারণে তা চূড়ান্ত হয়নি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:০৮
Share:

নতুন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্পের গড়তে উদ্যোগী পুরসভা। —প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

কলকাতা শহরের জঞ্জাল ফেলার প্রধান কেন্দ্র ধাপার আয়ু কার্যত শেষ। বহু বছর ধরেই সেখানে জঞ্জাল ফেলার কারণে সেখানে আর জায়গা নেই। এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরেই বিকল্প জমির খোঁজ চালাচ্ছিল কলকাতা পুরসভা। অবশেষে সেই খোঁজ মিলল বাসন্তী হাইওয়ের ধারেই। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরসভার ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত বাসন্তী হাইওয়ের ধারে খানাবেড়িয়া ও দুর্গাপুর গ্রামে প্রায় ৭৩ হেক্টর জমি চিহ্নিত করা হয়েছে নতুন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্পের জন্য।

Advertisement

ইতিমধ্যেই ওই এলাকার কৃষক ও মৎস্যজীবীদের কাছ থেকে প্রায় সত্তর একর জমি কেনা হয়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১১ সালের পর ধাপা সংলগ্ন এলাকায় মাত্র ১০ হেক্টর জমি কেনা সম্ভব হয়েছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রসপুঞ্জ এলাকাতেও জমি দেখা হলেও নানা কারণে তা চূড়ান্ত হয়নি। শেষ পর্যন্ত বাসন্তী হাইওয়ের ধারের এই জমিকেই উপযুক্ত বলে বেছে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ধাপার পুরনো জমিতে সার কারখানা, বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট-সহ একাধিক প্রকল্প চালু রয়েছে। কিন্তু শহরের ক্রমবর্ধমান জঞ্জালের তুলনায় তা পর্যাপ্ত নয় বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। পরিবেশ আদালতের নির্দেশ মেনে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত ‘ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ল্যান্ডফিল্ড’ তৈরির প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে।

পুরসভার দাবি, ধাপার মতো জঞ্জালের পাহাড় আর তৈরি হবে না। বরং পরিবেশবান্ধব, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্প গড়ে তোলা হবে। শহরের জঞ্জাল ব্যবস্থাপনায় এই প্রকল্প নতুন দিশা দেখাবে বলে আশাবাদী পুর কর্তৃপক্ষ। কলকাতার আবর্জনা ফেলার নতুন জায়গা ঠিক হয়ে যাওয়াতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে কলকাতা পুরসভা। এক আধিকারিকের কথায়, ‘‘দিন প্রতিদিন কলকাতা শহরের উপর চাপ বাড়ছে। পাঁচ বছর আগে যে পরিমাণ বর্জ্য শহর থেকে নির্গত হত তার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণ বর্জ্য এখন নির্গত হচ্ছে। তার জন্য বিকল্প বন্দোবস্ত করা আমাদের কাছে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছিল। কিন্তু নতুন বন্দোবস্ত হয়ে যাওয়ায় শুধু কলকাতা পুরসভাই নয় কলকাতার বাসিন্দারাও তার সুফল পাবেন।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement