চলতি সপ্তাহেই শেট্টী পরিবারের হাতে পুত্রের জন্মশংসাপত্র দেওয়া হতে পারে। —ফাইল চিত্র।
দক্ষিণ কলকাতার এক হাসপাতালে ১৯৮৯ সালে জন্ম, কিন্তু সেই সময় জন্ম নথিভুক্ত করা হয়নি। ফলে জন্মশংসাপত্রই পাননি চিকিৎসক দেবী শেট্টীর পুত্র। প্রায় ৩৭ বছর পর তাঁর জন্মশংসাপত্র দিতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। পুর প্রশাসন সূত্রে খবর, বিশেষ ব্যবস্থায় তৈরি করা হচ্ছে এই জন্মশংসাপত্রটি।
মঙ্গলবার কলকাতা পুরসভার ‘চিফ মেডিক্যাল অফিসার অফ হেল্থ’-এর কাছে একটি আবেদনপত্র পাঠান ওই চিকিৎসক। চিঠিতে তিনি লেখেন, ১৯৮৯ সালে তাঁর স্ত্রী শকুন্তলা শেট্টী চিকিৎসক উৎপল রায়ের তত্ত্বাবধানে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। সেই পুত্রের জন্মশংসাপত্র পেতে আবেদন জানাচ্ছেন তিনি। আবেদনপত্রের সঙ্গে তিনি তাঁর নিজের, স্ত্রীর এবং পুত্রের যাবতীর সরকারি নথি ও তথ্য যুক্ত করে দিয়েছেন। বর্তমানে তাঁর পুত্র আমেরিকায় রয়েছেন। সেখানেই তাঁর জন্মশংসাপত্র প্রয়োজন হওয়ায় চিকিৎসক দেবী শেট্টী কলকাতা পুরসভার কাছে তা পেতে লিখিত আবেদন করেন।
যদিও পুরসভার নিয়ম অনুযায়ী, কোনও বেসরকারি হাসপাতালে সন্তানের জন্ম হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি নির্দিষ্ট ফর্ম বাবা-মাকে দেয়। সেই ফর্ম জমা করার পর পুরসভায় জন্ম নিবন্ধন সম্পন্ন হয় এবং পরে ইস্যু হয় জন্মশংসাপত্র। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সেই সময় জন্ম নিবন্ধন করা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার আবেদনপত্র জমা পড়ার পরেই বিষয়টি নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে বলে খবর। চলতি সপ্তাহেই শেট্টী পরিবারের হাতে পুত্রের জন্মশংসাপত্র দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।