বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় নমিতার দেহ। —প্রতীকী চিত্র।
মুচিপাড়া থানা এলাকার সার্পেন্টাইন লেনে ৭৬ বছরের বৃদ্ধা নমিতা পালকে খুনের ঘটনায় পরিচিত কেউ জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে মনে করছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, বাড়ির দরজা খুব একটা খুলতেন না বৃদ্ধা। বাইরের লোকের সঙ্গে কথা বলতেন জানলা দিয়ে। তাই তদন্তকারীদের ধারণা, চেনা লোক আসায় নমিতা দরজা খুলে দিয়েছিলেন।
বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় নমিতার দেহ। তাঁর গলায় ছিল ফাঁসের দাগ। বাড়ির দরজা বাইরে থেকে তালাবন্ধ ছিল। বাড়ি থেকে সোনার গয়না-সহ বেশ কিছু জিনিস খোয়া গিয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রের খবর। তবে এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। পুলিশ সূত্রের খবর, ময়না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, নমিতাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে বলে উঠে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি বাড়ির কিছু আসবাব বিক্রির পরিকল্পনা করেছিলেন নমিতা। সেই সব আসবাব কেনার জন্য বুধবার কেউ বাড়িতে এসেছিলেন কিনা এবং তাঁকে দেখে নমিতা দরজা খুলে দিয়েছিলেন কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, একাই থাকতেন ওই বৃদ্ধা। তাঁর স্বামী এবং দুই ছেলে মারা গিয়েছেন। তদন্তে জানা গিয়েছে, বৃদ্ধার স্বামী কলকাতা বন্দরে চাকরি করতেন। তাঁর পেনশনেই নমিতার সংসার চলত।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে