— প্রতীকী চিত্র।
ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসতেই বদলে গেল এক যুবকের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে ধারণা। ওই রিপোর্ট থেকে পুলিশ জানতে পারল, সেই যুবক আত্মঘাতী হননি। তাঁকে খুন করা হয়েছে। খুনের অভিযোগে মৃতের সঙ্গী তরুণীকে গ্রেফতার করেছে পোস্তা থানা। ধৃতের নাম শিখা সিংহ। বৃহস্পতিবার পোস্তার শিব ঠাকুর লেনের বাড়ি থেকে শিখাকে ধরা হয়। আদালত তাঁকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে।
পুলিশ সূত্রের খবর, ঘটনার সূত্রপাত গত ডিসেম্বরে। শিব ঠাকুর লেনের একটি চারতলা বাড়ি থেকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল শিখাকে। তাঁর শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। একই সঙ্গে, ওই বাড়ির নীচ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় শিখার বন্ধু রাজেন্দ্র শর্মা ওরফে ভিকির মৃতদেহ। শিখাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
ঘটনার কয়েক দিন পরে ভিকির বাবা শিখার বিরুদ্ধে তাঁর ছেলেকে খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। হাসপাতাল থেকে ফেরার পরে শিখাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। শিখা জানান, তাঁর স্বামী দু’বছর আগে মারা গিয়েছেন। স্বামীর বন্ধু ছিলেন ভিকি। শিখার আরও দাবি, স্বামীর মৃত্যুর পরে তাঁর সঙ্গে ভিকির সম্পর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ, বিয়ের জন্য ভিকিকে চাপ দিচ্ছিলেন শিখা। যা নিয়ে দু’জনের মনোমালিন্য চলছিল।
ঘটনার দিন দুপুরে অশান্তি চরমে ওঠে। শিখার দাবি, বচসার মধ্যে ভিকি তাঁকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। এর পরে নিজে বাড়ির চারতলা থেকে ঝাঁপ দেন। প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীরা সে কথা বিশ্বাসও করেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ভিকির ময়না তদন্তের রিপোর্ট এলে তাঁরা জানতে পারেন, উপর থেকে পড়ে নয়, ছুরির আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে ভিকির।
যদিও খুনের কথা অস্বীকার করে শিখার দাবি, ভিকিই ছুরি নিয়ে তাঁকে মারতে আসেন।ঘটনার দিন পুলিশ ছুরিটিও উদ্ধার করেছিল। সেটি ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে