RG Kar Medical College and Hospital

মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পর কড়াকড়ি আরজি করে! দালালচক্রে রাশ, জোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায়, বন্ধ বেআইনি পার্কিং

শুক্রবার কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। ওই বৈঠকের পর শনিবার বৈঠকে বসেছিলেন আরজি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ ১৮:১৪
Share:

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে রোগী পরিষেবায় জোর। — ফাইল চিত্র।

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে দালালেরা যেন কোনও ভাবে ঢুকতে না-পারেন! নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিলেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী বা তাঁর পরিজনদের কাছ থেকে পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠলেই কড়া পদক্ষেপ করতে হবে। শনিবার আরজি করের প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুধু তা-ই নয়, হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উপর জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

Advertisement

শুক্রবার কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং সরকারি হাসপাতালগুলির অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকের পরের দিনই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজেদের মধ্যে আরও একটি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে আরজি করের পরিষেবা নিয়ে কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

হাসপাতালের মধ্যে বেআইনি পার্কিংয়ে রাশ টানতে চাইছেন কর্তৃপক্ষ। শনিবারের বৈঠকে এ বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, হাসপাতালের মধ্যে কোনও ধরনের বেআইনি পার্কিং বরদাস্ত করা হবে না। শুধু তা-ই নয়, কোনও দালাল যেন হাসপাতালে রোগী বা তাঁর পরিজনদের কাছ থেকে টাকা না-চান, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। সূত্রের খবর, দালাল সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ পেলেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, শনিবারই আরজি করে চিকিৎসা করতে আসা এক রোগীর থেকে কয়েকশো টাকা চাওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।

Advertisement

হাসপাতাল চত্বরে বা হাসপাতালের মধ্যে যেখানে-সেখানে কুকুরের ‘উপদ্রব’ দেখা যায়। কখনও কখনও আবার ওয়ার্ডের মধ্যেও কুকুর ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় বলেও অভিযোগ। ভবিষ্যতে হাসপাতালের মধ্যে যাতে কুকুর ঘুরে বেড়াতে না-পারে সে দিকে নজরদারি চালানোর কথাও বৈঠকেও বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি, হাসপাতালের জরুরি ব্যবস্থাপনা ঠিকঠাক আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত অফিসারদের সপ্তাহে অন্তত ৪২ ঘণ্টা কাজ করতে হবে, এমনই নির্দেশ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা দ্রুত চালুর কথা ভাবনাচিন্তায় রয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement