Stephen Court Incident

এজলাসে অসুস্থ অভিযুক্ত, স্টিফেন কোর্ট মামলার শুনানি মুলতুবি

২০১০ সালের মার্চে স্টিফেন কোর্টে আগুন লাগায় মৃতের সংখ্যা ৪০ ছাড়িয়েছিল। এই মামলায় ছয় অভিযুক্তের মধ্যে এক অভিযুক্ত আগেই মারা গিয়েছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০২৬ ১০:২৭
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পার্ক স্ট্রিটের স্টিফেন কোর্ট অগ্নিকাণ্ডের শুনানি চলাকালীন এজলাসের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়লেন এক অভিযুক্ত। বৃহস্পতিবার কলকাতা নগর দায়রা আদালতের দ্বিতীয় ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে আচমকা অচৈতন্য হয়ে পড়ে যান ওই প্রৌঢ়। সঙ্গে সঙ্গে শুনানি মুলতুবি করে দেন বিচারক শ্রুতিরূপা ঘোষ (মাঝি)। অসুস্থ হয়ে পড়া ওই প্রৌঢ়ের নাম জয়প্রকাশ সিংহ। তাঁর বাড়ি পার্ক স্ট্রিট এলাকায়। ব্যাঙ্কশাল আদালতের মেডিক্যাল ইউনিটে নিয়ে গিয়ে বছর পঁয়ষট্টির ওই প্রৌঢ়ের চিকিৎসা হয়।

২০১০ সালের মার্চে স্টিফেন কোর্টে আগুন লাগায় মৃতের সংখ্যা ৪০ ছাড়িয়েছিল। এই মামলায় ছয় অভিযুক্তের মধ্যে এক অভিযুক্ত আগেই মারা গিয়েছেন। জয়প্রকাশ-সহ বাকি পাঁচ অভিযুক্ত জামিনে মুক্ত রয়েছেন। এই পাঁচ জনকে বেকসুর খালাস করার আর্জি জানিয়েছেন তাঁদের আইনজীবী অমিত ভট্টাচার্য। পাল্টা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আবেদন করেছেন মামলার সরকারি আইনজীবী গণেশ মাইতি। এ দিন সেই মামলার শুনানি ছিল দ্বিতীয় ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে।

আদালত সূত্রের খবর, সেই সময় বক্তব্য রাখছিলেন আইনজীবী অমিত। বাকি চার অভিযুক্তের সঙ্গে এজলাসে দাঁড়িয়ে ছিলেন জয়প্রকাশ। সেই সময়ে আচমকা জ্ঞান হারিয়ে মেঝেয় পড়ে যান তিনি। বিচারক সঙ্গে সঙ্গে শুনানি মুলতুবি রেখে ফোন করে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এজলাসে উপস্থিত লোকজন জয়প্রকাশকে তুলে চেয়ারে বসিয়ে তাঁর চোখে-মুখে জল দেন। কিছু ক্ষণ পরে জ্ঞান ফেরে প্রৌঢ়ের। তাঁকে ধরাধরি করে আদালত চত্বরের মেডিক্যাল ইউনিটে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। খবর পেয়ে জয়প্রকাশের ছেলে এসে বাবাকে বাড়ি নিয়ে যান। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ১৬ জুন ধার্য করেছেন বিচারক।

জয়প্রকাশের ছেলে রূপেশ সিংহ বলেন, ‘‘বাবা বলছিলেন, তিনি চোখের সামনে সবটা অন্ধকার দেখছিলেন।’’ রূপেশ জানান, বেশ কয়েক দিন আগে তাঁর বাবা অসুস্থ হয়েছিলেন। ডাক্তার দেখানো হয়েছে। কয়েকটি পরীক্ষা করানো হয়েছে। ওষুধও চলছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন